ঢাকা ১২:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

এবার আকাশে উড়বে গাড়ি!

এবার সত্যি আকাশে উড়তে দেখা যাবে গাড়ি। সাধারণ মানুষের জন্য আগামী নভেম্বরে খুলে যাচ্ছে ব্রিটেনের কভেন্ট্রি শহরের সবচেয়ে ছোট বিমানবন্দর ‘এয়ার ওয়ান’। তবে বিমান নয়, শুধুমাত্র ফ্লাইং কার ওঠানামা করবে এ বিমানবন্দরে।

কোরিয়ান গাড়ি নির্মাতা সংস্থার সঙ্গে ব্রিটেনের একটি সংস্থা যৌথভাবে বিশ্বে প্রথম এই ধরণের বিমানবন্দর চালু করতে যাচ্ছে।যানজট এড়াতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে গত এক দশক ধরে কাজ চলছিল। বরিস জনসন সরকার ১২ লক্ষ পাউন্ড অনুমোদন দিয়েছেন এই প্রকল্পের জন্য। উড়ন্ত গাড়ি যেমন সময় বাঁচাবে, তেমনই পরিবেশবান্ধব হয়ে ওঠার সুযোগ থাকবে। তাই জাপান, রাশিয়া এবং স্লোভাকিয়ার মত দেশ বিদ্যুৎ চালিত উড়ন্ত গাড়ি তৈরির ম্যারাথনে প্রায় শেষ ল্যাপে।
শোনা যাচ্ছে আধুনিক ড্রোন যে টেকনোলজি ব্যবহার করে ওড়ানো হয়, ফ্লাইং কারের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অনেকটাই সেরকম। শুধু মানুষ নয়, বিভিন্ন পণ্য সরবরাহ অত্যন্ত দ্রুত করা যাবে এর ফলে। গতবছর জাপানের স্কাইড্রাইভ ইনকর্পোরেশন উড়ন্ত যানে এক যাত্রীকে নিয়ে সফল পরীক্ষা করেছে। ২০২৩ সালের মধ্যে বাজারে উড়ন্ত গাড়ি আনবে বলে জানিয়েছিল এই সংস্থা।সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা রিকি সাধু বলেন, এর ফলে মানুষের জীবন অনেক স্বচ্ছন্দ হয়ে উঠবে। তাই সমালোচনা হলেও তিনি আশাবাদী এর উপকারিতা মানুষ পরে বুঝতে পারবেন। চেক ইন করা থেকে বোর্ডিং পর্যন্ত সংস্থার কর্মীরা সবসময় সাহায্যে উপস্থিত থাকবেন। তবে যাই হোক, আপাতত বিশ্বের প্রথম উড়ন্ত গাড়ির বিমানবন্দর হিসেবে নজর কাড়ছে এয়ার ওয়ান। সিটিস টুডে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

এবার আকাশে উড়বে গাড়ি!

আপডেট সময় ০৭:০১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২১

এবার সত্যি আকাশে উড়তে দেখা যাবে গাড়ি। সাধারণ মানুষের জন্য আগামী নভেম্বরে খুলে যাচ্ছে ব্রিটেনের কভেন্ট্রি শহরের সবচেয়ে ছোট বিমানবন্দর ‘এয়ার ওয়ান’। তবে বিমান নয়, শুধুমাত্র ফ্লাইং কার ওঠানামা করবে এ বিমানবন্দরে।

কোরিয়ান গাড়ি নির্মাতা সংস্থার সঙ্গে ব্রিটেনের একটি সংস্থা যৌথভাবে বিশ্বে প্রথম এই ধরণের বিমানবন্দর চালু করতে যাচ্ছে।যানজট এড়াতে এই প্রক্রিয়া নিয়ে গত এক দশক ধরে কাজ চলছিল। বরিস জনসন সরকার ১২ লক্ষ পাউন্ড অনুমোদন দিয়েছেন এই প্রকল্পের জন্য। উড়ন্ত গাড়ি যেমন সময় বাঁচাবে, তেমনই পরিবেশবান্ধব হয়ে ওঠার সুযোগ থাকবে। তাই জাপান, রাশিয়া এবং স্লোভাকিয়ার মত দেশ বিদ্যুৎ চালিত উড়ন্ত গাড়ি তৈরির ম্যারাথনে প্রায় শেষ ল্যাপে।
শোনা যাচ্ছে আধুনিক ড্রোন যে টেকনোলজি ব্যবহার করে ওড়ানো হয়, ফ্লাইং কারের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা অনেকটাই সেরকম। শুধু মানুষ নয়, বিভিন্ন পণ্য সরবরাহ অত্যন্ত দ্রুত করা যাবে এর ফলে। গতবছর জাপানের স্কাইড্রাইভ ইনকর্পোরেশন উড়ন্ত যানে এক যাত্রীকে নিয়ে সফল পরীক্ষা করেছে। ২০২৩ সালের মধ্যে বাজারে উড়ন্ত গাড়ি আনবে বলে জানিয়েছিল এই সংস্থা।সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা রিকি সাধু বলেন, এর ফলে মানুষের জীবন অনেক স্বচ্ছন্দ হয়ে উঠবে। তাই সমালোচনা হলেও তিনি আশাবাদী এর উপকারিতা মানুষ পরে বুঝতে পারবেন। চেক ইন করা থেকে বোর্ডিং পর্যন্ত সংস্থার কর্মীরা সবসময় সাহায্যে উপস্থিত থাকবেন। তবে যাই হোক, আপাতত বিশ্বের প্রথম উড়ন্ত গাড়ির বিমানবন্দর হিসেবে নজর কাড়ছে এয়ার ওয়ান। সিটিস টুডে।