ঢাকা ০৭:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ৫ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সাপ ও কেঁচোর মতো দেখতে অদ্ভুত ধরনের এক প্রাণীর সন্ধান মিলেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়

অনলাইন ডেস্কঃ ভয়ংকর সাপ ও কেঁচোর মতো দেখতে অদ্ভুত রুপি এক প্রাণীর সন্ধান পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়। এটিকে প্রথমে মনে হবে ঠিক যেন রাবারজাতীয় কিছু পড়ে আছে। কিন্তু স্পর্শ করলেই দেখা যাবে এটি জীবিত এবং নড়েচড়ে উঠবে। খবর ইয়াহু নিউজের।

ধূসর রঙের ভাঁজ পড়া চামড়ার অদ্ভুতদর্শন এই ‘বস্তু’টি আসলে একটি প্রাণী। নাম সেসিলিয়ান।
পৃথিবী একবিংশ শতাব্দীতে এসে অনেক কিছুই আবিষ্কার হয়েছে বিজ্ঞানীদের কল্যাণে। তবে এখনো যে আরো কত কিছু বিশ্বের দেখার বাকি তার আন্দাজ করতে পারবে না কেউই। যতই সময় এগোচ্ছে গবেষণার জালে আটকা পড়ছে একের পর এক নতুন কিছু।
সম্প্রতি ফ্লোরিডায় এমনই এক প্রাণীর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাকে ঘিরে হুলস্থূল পড়ে গিয়েছিল ফ্লোরিডার বিজ্ঞানীমহলে। বিশ্বে এই প্রাণীর খোঁজ প্রথম মিলল তা নয়, ফ্লোরিডায় প্রথম এই প্রাণীর দেখা মিলেছে। দক্ষিণ ফ্লোরিডার তামিয়ামি খালে এর খোঁজ মিলেছে।
এই প্রাণীটি মূলত নিরক্ষীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়। দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকার কিছু অংশ এদের বাসস্থান। ফ্লোরিডায় আগে কখনও সেসিলিয়ান দেখা যায়নি। দেখতে সাপের মতো হলেও এরা আসলে উভচর শ্রেণিভুক্ত প্রাণী। এদের মুখ ও লেজ আলাদা করা কঠিন।
মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দেড় কিলোমিটার দক্ষিণে ফ্লোরিডা ফিস অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন কমিশন প্রাণীটিকে উদ্ধার করেছে। প্রথমে কিছুতেই প্রাণীটিকে চিনে উঠতে পারছিল না কমিশন। ডিএনএর নমুনা পরীক্ষা করে তবেই প্রাণীটিকে শনাক্ত করেছে ওই কনজারভেশন কমিশন।
তবে প্রাণীটি একেবারেই বিপজ্জনক নয়। মুখে কয়েক সারি দাঁত রয়েছে বটে, তবে সেগুলো শুধু শিকার ধরার কাজে ব্যবহৃত হয়। কেঁচো, কীটপতঙ্গ এদের শিকার। দাঁত দিয়ে শিকার ধরে গিলে খেয়ে ফেলে সেগুলোকে। আর সেসিলিয়ানদের প্রধান শত্রু হলো সাপ।
মাটির গভীরে থাকে প্রাণিগুলো। চার থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত আয়ু হয়ে থাকে এদের। কখনও কখনও তারও বেশি দিন বেঁচে থাকতে পারে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

সাপ ও কেঁচোর মতো দেখতে অদ্ভুত ধরনের এক প্রাণীর সন্ধান মিলেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়

আপডেট সময় ১০:২১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১

অনলাইন ডেস্কঃ ভয়ংকর সাপ ও কেঁচোর মতো দেখতে অদ্ভুত রুপি এক প্রাণীর সন্ধান পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায়। এটিকে প্রথমে মনে হবে ঠিক যেন রাবারজাতীয় কিছু পড়ে আছে। কিন্তু স্পর্শ করলেই দেখা যাবে এটি জীবিত এবং নড়েচড়ে উঠবে। খবর ইয়াহু নিউজের।

ধূসর রঙের ভাঁজ পড়া চামড়ার অদ্ভুতদর্শন এই ‘বস্তু’টি আসলে একটি প্রাণী। নাম সেসিলিয়ান।
পৃথিবী একবিংশ শতাব্দীতে এসে অনেক কিছুই আবিষ্কার হয়েছে বিজ্ঞানীদের কল্যাণে। তবে এখনো যে আরো কত কিছু বিশ্বের দেখার বাকি তার আন্দাজ করতে পারবে না কেউই। যতই সময় এগোচ্ছে গবেষণার জালে আটকা পড়ছে একের পর এক নতুন কিছু।
সম্প্রতি ফ্লোরিডায় এমনই এক প্রাণীর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তাকে ঘিরে হুলস্থূল পড়ে গিয়েছিল ফ্লোরিডার বিজ্ঞানীমহলে। বিশ্বে এই প্রাণীর খোঁজ প্রথম মিলল তা নয়, ফ্লোরিডায় প্রথম এই প্রাণীর দেখা মিলেছে। দক্ষিণ ফ্লোরিডার তামিয়ামি খালে এর খোঁজ মিলেছে।
এই প্রাণীটি মূলত নিরক্ষীয় অঞ্চলে পাওয়া যায়। দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকার কিছু অংশ এদের বাসস্থান। ফ্লোরিডায় আগে কখনও সেসিলিয়ান দেখা যায়নি। দেখতে সাপের মতো হলেও এরা আসলে উভচর শ্রেণিভুক্ত প্রাণী। এদের মুখ ও লেজ আলাদা করা কঠিন।
মিয়ামি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দেড় কিলোমিটার দক্ষিণে ফ্লোরিডা ফিস অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন কমিশন প্রাণীটিকে উদ্ধার করেছে। প্রথমে কিছুতেই প্রাণীটিকে চিনে উঠতে পারছিল না কমিশন। ডিএনএর নমুনা পরীক্ষা করে তবেই প্রাণীটিকে শনাক্ত করেছে ওই কনজারভেশন কমিশন।
তবে প্রাণীটি একেবারেই বিপজ্জনক নয়। মুখে কয়েক সারি দাঁত রয়েছে বটে, তবে সেগুলো শুধু শিকার ধরার কাজে ব্যবহৃত হয়। কেঁচো, কীটপতঙ্গ এদের শিকার। দাঁত দিয়ে শিকার ধরে গিলে খেয়ে ফেলে সেগুলোকে। আর সেসিলিয়ানদের প্রধান শত্রু হলো সাপ।
মাটির গভীরে থাকে প্রাণিগুলো। চার থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত আয়ু হয়ে থাকে এদের। কখনও কখনও তারও বেশি দিন বেঁচে থাকতে পারে।