ঢাকা ০৫:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে চার নরপশু মিলে দুই শিশুকে বলাৎকার! দু’জন আটক

বিশ্বনাথ (সিলেট) থেকে আহমদ আলী হিরন সিলেটের বিশ্বনাথে পাখির বাসা দেখানোর কথা বলে জঙ্গলে নিয়ে দুই শিশু স্কুলশিক্ষার্থীকে (১০) পালাক্রমে গণবলাৎকার করেছে চার তরুণ। বুধবার (২ জুন) বিকেলে চার তরুণের বিরুদ্ধে বিশ্বনাথ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলাৎকারের শিকার এক শিশুর মা। অভিযুক্ত চার তরুণ হলেন উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের ভাটিপাড়া গ্রামের শফিক মিয়ার ছেলে মিজান আহমদ (১৯), শানুর মিয়ার ছেলে সাদিক মিয়া (২০), মন্টু মিয়ার ছেলে নিশাদ আহমদ (২০), জফির মিয়ার ছেলে সাজু মিয়া (১৯)। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিশ্বনাথ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাদিক ও সাজুকে তাদের নিজ বাড়ি থেকে আটক করে।
অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, আমার ছেলে (১০) ভাটিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণিতে এবং আমার দেবরের ছেলে (১০) বুরাইয়া কামিল মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে লেখাপড়া করছে। একই বাড়ির লোক হওয়ায় অভিযুক্ত সাদিক মিয়া আমার ও আমার দেবরের ছেলের সাথে খেলাধুলা করত। গত ২৫ এপ্রিল দুপুরে সাদিক তার বন্ধু মিজান, নিশাদ ও সাজুকে সাথে নিয়ে পাখির বাসা দেখানোর কথা বলে আমার এবং আমার দেবরের ছেলেকে ভাটিপাড়া গ্রামের সুরুজ আলীর বাগানবাড়ির জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে পালাক্রমে আমার ছেলেকে সাদিক ও নিশাদ এবং আমার দেবরের ছেলেকে সাজু ও মিজান জোরপূর্বক বলাৎকার করে। নিজে বলাৎকারের পাশাপাশি বন্ধুদের বলাৎকারের দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে মিজান। কয়েকদিন ধরে অভিযুক্তরা বলে বেড়াচ্ছিল, আমার ও আমার দেবরের ছেলে বিভিন্ন খারাপ কাজ করছে। বিষয়টির ব্যাপারে স্থানীয় মুরব্বী খলিলুর রহমান একই গ্রামের সুন্দর মিয়াকে আমাদের বাড়ি পাঠালে তিনি আমার ও আমার দেবরের ছেলে খারাপ কাজ করিয়াছে বলে একটি ভিডিও দেখান। ভিডিওটির ব্যাপারে খোঁজ নিতে থাকেন গুলজার হোসেন নামে আমার বাড়ির এক দেবর। এক পর্যায়ে গত ৩১ মে স্থানীয় সিঙ্গেরকাছ বাজারের এসকে কম্পিউটারের মালিক ইউসুফের কম্পিউটারে মিজানের ধারণ করা বলাৎকারের ভিডিওটি পাওয়া যায়।’
অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করেন বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় জড়িত দু’জনকে আটক করা হয়েছে। জড়িত অন্যান্যদেরকে আটক করতে অভিযান চলছে। পাশাপাশি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বনাথে চার নরপশু মিলে দুই শিশুকে বলাৎকার! দু’জন আটক

আপডেট সময় ০৫:০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুন ২০২১

বিশ্বনাথ (সিলেট) থেকে আহমদ আলী হিরন সিলেটের বিশ্বনাথে পাখির বাসা দেখানোর কথা বলে জঙ্গলে নিয়ে দুই শিশু স্কুলশিক্ষার্থীকে (১০) পালাক্রমে গণবলাৎকার করেছে চার তরুণ। বুধবার (২ জুন) বিকেলে চার তরুণের বিরুদ্ধে বিশ্বনাথ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলাৎকারের শিকার এক শিশুর মা। অভিযুক্ত চার তরুণ হলেন উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের ভাটিপাড়া গ্রামের শফিক মিয়ার ছেলে মিজান আহমদ (১৯), শানুর মিয়ার ছেলে সাদিক মিয়া (২০), মন্টু মিয়ার ছেলে নিশাদ আহমদ (২০), জফির মিয়ার ছেলে সাজু মিয়া (১৯)। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই বিশ্বনাথ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাদিক ও সাজুকে তাদের নিজ বাড়ি থেকে আটক করে।
অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, আমার ছেলে (১০) ভাটিপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণিতে এবং আমার দেবরের ছেলে (১০) বুরাইয়া কামিল মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে লেখাপড়া করছে। একই বাড়ির লোক হওয়ায় অভিযুক্ত সাদিক মিয়া আমার ও আমার দেবরের ছেলের সাথে খেলাধুলা করত। গত ২৫ এপ্রিল দুপুরে সাদিক তার বন্ধু মিজান, নিশাদ ও সাজুকে সাথে নিয়ে পাখির বাসা দেখানোর কথা বলে আমার এবং আমার দেবরের ছেলেকে ভাটিপাড়া গ্রামের সুরুজ আলীর বাগানবাড়ির জঙ্গলে নিয়ে যায়। সেখানে পালাক্রমে আমার ছেলেকে সাদিক ও নিশাদ এবং আমার দেবরের ছেলেকে সাজু ও মিজান জোরপূর্বক বলাৎকার করে। নিজে বলাৎকারের পাশাপাশি বন্ধুদের বলাৎকারের দৃশ্য মোবাইলে ধারণ করে মিজান। কয়েকদিন ধরে অভিযুক্তরা বলে বেড়াচ্ছিল, আমার ও আমার দেবরের ছেলে বিভিন্ন খারাপ কাজ করছে। বিষয়টির ব্যাপারে স্থানীয় মুরব্বী খলিলুর রহমান একই গ্রামের সুন্দর মিয়াকে আমাদের বাড়ি পাঠালে তিনি আমার ও আমার দেবরের ছেলে খারাপ কাজ করিয়াছে বলে একটি ভিডিও দেখান। ভিডিওটির ব্যাপারে খোঁজ নিতে থাকেন গুলজার হোসেন নামে আমার বাড়ির এক দেবর। এক পর্যায়ে গত ৩১ মে স্থানীয় সিঙ্গেরকাছ বাজারের এসকে কম্পিউটারের মালিক ইউসুফের কম্পিউটারে মিজানের ধারণ করা বলাৎকারের ভিডিওটি পাওয়া যায়।’
অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করেন বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গাজী আতাউর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় জড়িত দু’জনকে আটক করা হয়েছে। জড়িত অন্যান্যদেরকে আটক করতে অভিযান চলছে। পাশাপাশি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।’