ঢাকা ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রবাসীদের সম্মানে দেশে সর্বপ্রথম ‘প্রবাসী চত্বর’ নির্মিত হচ্ছে সিলেটের বিশ্বনাথে

বিশ্বনাথ সংবাদদাতা- প্রবাসী অধ্যুষিত উপজেলাখ্যাত সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলাবাসীকে আজ সন্ধ্যায় একটি চমকপ্রদ সুসংবাদ জানালেন পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চন্দ্র দাশ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত আমাদের সংগ্রামী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ব্যতিক্রমধর্মী এক সম্মানে ভূষিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তিনি। নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক আইডিতে ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্বনাথ পৌরশহরের নতুন বাজারের দীর্ঘদিনের অবহেলিত গোলচত্বরকে নান্দনিক রূপ দিয়ে এর নাম ‘প্রবাসী চত্বর’ করার।

তিনি বলেন, ‘এই দেশের বৈদেশিক আয়ের অন্যতম সোর্স রেমিট্যান্স হলেও আমার জানামতে দেশের কোথাও প্রবাসী চত্বর নামে কোন চত্বর নাই। প্রবাসী অধ্যুষিত এই উপজেলার সকল প্রবাসীকে সম্মান ও তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে এই চত্বরটির নামকরণ প্রবাসী চত্বর করার লক্ষ্যে মনুমেন্ট ডিজাইন করা হয়। এই স্তম্ভের ভিতরে একজন ট্রাফিক পুলিশ মুভ করতে পারবে। আর স্তম্ভের গায়ে বিভিন্ন দেশের মুদ্রা অংকিত থাকবে কিন্তু সবার উপরে থাকবে বাংলাদেশী মুদ্রা বা টাকা। বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ/রেমিট্যান্স বাংলাদেশী মুদ্রাকে শক্তিশালী করছে বুঝাতে তার অবস্থান সবার উপরে থাকবে।’

ব্যতিক্রমী ও বাস্তবসম্মত সময়োপযোগী এই উদ্যোগের বিষয়টি ফেসবুকে পোস্ট করার পরপরই তা দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়ে উঠে। পৌর প্রশাসক ও ইউএনও সুমন চন্দ্র দাশের এই উদ্যোগকে সর্বমহলের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও স্বাগত জানাচ্ছেন।

ট্যাগস

প্রবাসীদের সম্মানে দেশে সর্বপ্রথম ‘প্রবাসী চত্বর’ নির্মিত হচ্ছে সিলেটের বিশ্বনাথে

আপডেট সময় ০৩:৩৭:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুন ২০২১

বিশ্বনাথ সংবাদদাতা- প্রবাসী অধ্যুষিত উপজেলাখ্যাত সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলাবাসীকে আজ সন্ধ্যায় একটি চমকপ্রদ সুসংবাদ জানালেন পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন চন্দ্র দাশ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত আমাদের সংগ্রামী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ব্যতিক্রমধর্মী এক সম্মানে ভূষিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন তিনি। নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক আইডিতে ঘোষণা দিয়েছেন বিশ্বনাথ পৌরশহরের নতুন বাজারের দীর্ঘদিনের অবহেলিত গোলচত্বরকে নান্দনিক রূপ দিয়ে এর নাম ‘প্রবাসী চত্বর’ করার।

তিনি বলেন, ‘এই দেশের বৈদেশিক আয়ের অন্যতম সোর্স রেমিট্যান্স হলেও আমার জানামতে দেশের কোথাও প্রবাসী চত্বর নামে কোন চত্বর নাই। প্রবাসী অধ্যুষিত এই উপজেলার সকল প্রবাসীকে সম্মান ও তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দিতে এই চত্বরটির নামকরণ প্রবাসী চত্বর করার লক্ষ্যে মনুমেন্ট ডিজাইন করা হয়। এই স্তম্ভের ভিতরে একজন ট্রাফিক পুলিশ মুভ করতে পারবে। আর স্তম্ভের গায়ে বিভিন্ন দেশের মুদ্রা অংকিত থাকবে কিন্তু সবার উপরে থাকবে বাংলাদেশী মুদ্রা বা টাকা। বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ/রেমিট্যান্স বাংলাদেশী মুদ্রাকে শক্তিশালী করছে বুঝাতে তার অবস্থান সবার উপরে থাকবে।’

ব্যতিক্রমী ও বাস্তবসম্মত সময়োপযোগী এই উদ্যোগের বিষয়টি ফেসবুকে পোস্ট করার পরপরই তা দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়ে উঠে। পৌর প্রশাসক ও ইউএনও সুমন চন্দ্র দাশের এই উদ্যোগকে সর্বমহলের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও স্বাগত জানাচ্ছেন।