ঢাকা ০১:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় মালয়েশিয়ায় আবারও লকডাউন ঘোষণা

মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ার ফলে মালয়েশিয়ায় আবারও লকডাউন ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী তান শ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন।
আজ সোমবার (১০ মে) সন্ধ্যায় কোভিড-১৯ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক বিশেষ সভায় এ ঘোষণা দেন তিনি। একইসঙ্গে ১২ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত জারি করা লকডাউনে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এছাড়া লকডাউনে আন্তঃজেলা ও আন্তঃরাজ্য ভ্রমণের ওপরেও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। সাধারণের চলাচল নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন রয়েছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ। বসানো হয়েছে বিভিন্ন জায়গায় চেকপোস্ট।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে শর্তসাপেক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরামর্শক্রমে ১২ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত দেশব্যাপী মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এমসিও) বহাল থাকবে। পাশাপাশি এর আগে সরকার ঘোষিত বিভিন্ন বিধিনিষেধগুলোও আগের মতো বহাল থাকবে।
তবে লকডাউন চলাকালে সব চাইল্ড কেয়ার, প্রি-স্কুল, নার্সারি এবং কিন্ডার গার্টেনগুলোকে অভিভাবকদের কাজ সহজ করার জন্য নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (এসওপি) অনুযায়ী পরিচালনা করার অনুমতি দেওয়া হবে।

ট্যাগস

করোনা সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ায় মালয়েশিয়ায় আবারও লকডাউন ঘোষণা

আপডেট সময় ১১:৪৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মে ২০২১

মহামারী করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার বেড়ে যাওয়ার ফলে মালয়েশিয়ায় আবারও লকডাউন ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী তান শ্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিন।
আজ সোমবার (১০ মে) সন্ধ্যায় কোভিড-১৯ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক বিশেষ সভায় এ ঘোষণা দেন তিনি। একইসঙ্গে ১২ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত জারি করা লকডাউনে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এছাড়া লকডাউনে আন্তঃজেলা ও আন্তঃরাজ্য ভ্রমণের ওপরেও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। সাধারণের চলাচল নিয়ন্ত্রণে মোতায়েন রয়েছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ। বসানো হয়েছে বিভিন্ন জায়গায় চেকপোস্ট।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে শর্তসাপেক্ষে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরামর্শক্রমে ১২ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত দেশব্যাপী মুভমেন্ট কন্ট্রোল অর্ডার (এমসিও) বহাল থাকবে। পাশাপাশি এর আগে সরকার ঘোষিত বিভিন্ন বিধিনিষেধগুলোও আগের মতো বহাল থাকবে।
তবে লকডাউন চলাকালে সব চাইল্ড কেয়ার, প্রি-স্কুল, নার্সারি এবং কিন্ডার গার্টেনগুলোকে অভিভাবকদের কাজ সহজ করার জন্য নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি (এসওপি) অনুযায়ী পরিচালনা করার অনুমতি দেওয়া হবে।