ঢাকা ১২:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আফগানিস্তানের একটি স্কুলে বোমা বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা ৮৫

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের স্কুলে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫ জন। এই হামলায় দাশত-ই-বারচি পাড়ায় আরো ১৮৭ জন আহত হয়েছেন। আজ সোমবার (১০ মে) মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনকে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ভাইস প্রেসিডেন্টের মিডিয়া প্রধান ডানিশ হেদায়াত।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার সৈয়দ উল-শুহাদা স্কুলের সামনে একটি গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা যখন আতঙ্কে ছুটতে শুরু করে তখন আরো দুটি বিস্ফোরণ ঘটে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নারী মুখপাত্র নাজিবা আরিয়ান রয়টার্সকে জানান, স্কুলটিতে ছেলে ও মেয়ে উভয়ই পড়াশোনা করে। এখানে মোট তিনটি শিফটে ক্লাস হয়। এর মধ্যে দ্বিতীয় শিফটে ক্লাস করে মেয়েরা। আহতদের অধিকাংশই মেয়ে শিক্ষার্থী।
এক প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সকে জানান, নিহতদের মধ্যে অনেকেই মেয়ে শিক্ষার্থী। তারা স্কুলে পড়াশোনা শেষে বাড়ির দিকে যাচ্ছিল।
এদিকে, শনিবার ঘটনার পরপরই এর পেছনে তালেবানকে দায়ী করে সমালোচনা করেছেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি। যদিও তালেবান মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।

ট্যাগস

আফগানিস্তানের একটি স্কুলে বোমা বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা ৮৫

আপডেট সময় ১১:৩৭:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মে ২০২১

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলের স্কুলে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৫ জন। এই হামলায় দাশত-ই-বারচি পাড়ায় আরো ১৮৭ জন আহত হয়েছেন। আজ সোমবার (১০ মে) মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএনকে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন আফগানিস্তানের দ্বিতীয় ভাইস প্রেসিডেন্টের মিডিয়া প্রধান ডানিশ হেদায়াত।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত শনিবার সৈয়দ উল-শুহাদা স্কুলের সামনে একটি গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ হয়েছিল। শিক্ষার্থীরা যখন আতঙ্কে ছুটতে শুরু করে তখন আরো দুটি বিস্ফোরণ ঘটে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নারী মুখপাত্র নাজিবা আরিয়ান রয়টার্সকে জানান, স্কুলটিতে ছেলে ও মেয়ে উভয়ই পড়াশোনা করে। এখানে মোট তিনটি শিফটে ক্লাস হয়। এর মধ্যে দ্বিতীয় শিফটে ক্লাস করে মেয়েরা। আহতদের অধিকাংশই মেয়ে শিক্ষার্থী।
এক প্রত্যক্ষদর্শী রয়টার্সকে জানান, নিহতদের মধ্যে অনেকেই মেয়ে শিক্ষার্থী। তারা স্কুলে পড়াশোনা শেষে বাড়ির দিকে যাচ্ছিল।
এদিকে, শনিবার ঘটনার পরপরই এর পেছনে তালেবানকে দায়ী করে সমালোচনা করেছেন আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ গনি। যদিও তালেবান মুখপাত্র জবিহুল্লাহ মুজাহিদ বিদ্রোহী গোষ্ঠীর জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করে এই ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন।