ঢাকা ০১:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে চাউলধনী হাওর রক্ষা ও কৃষক বাঁচাও আন্দোলন কমিটির আহবায়কের জামিনে মুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য চাউলধনী রক্ষা ও কৃষক বাঁচাও আন্দোলন কমিটির আহবায়ক আবুল কালাম ও কৃষক মাহফুজুর রহমান সাজানো চাঁদাবাজি মামলায় আদালত থেকে জামিনে মুক্তি লাভ করেছেন। আবুল কালাম দীর্ঘ ৭১দিন এবং মাহফুজুর রহমান ৬৭দিন কারাভোগ করেন। ২ মে রবিবার সিলেটের জেলা ও দায়রা জজ আদালত আবুল কালামের জামিন মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামী পক্ষের সিনিয়র আইনজীবি এএসএম গফুর।

৩ মে সোমবার কারাগার থেকে মুক্তি লাভের পর আবুল কালাম ও মাহফুজুর রহমানকে ফুলের তোড়া দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আবুল কালাম বলেন, পুলিশের সহায়তায় খুনি সাইফুল কৃষকদের দমানোর জন্য সাজানো এই চাঁদাবাজি মামলাটি দায়ের করে। জেলে থাকাবস্থায় আমার পিতার মৃত্যু হলে তার মূখখানা দেখতে পারিনি কিংবা দাফন কাফনেও অংশ নিতে পারিনি। সাজানো এই মামলা দিয়ে যারা হয়রানী করেছে তাদের বিচার জনতার আদালতে হবেই।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য এএইচএম ফিরোজ আলী, দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আনোয়ার হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল হামিদ, জেলা যুবলীগ নেতা খালেদ রব, আন্দোলন কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মাস্টার বাবুল মিয়া, আহমদ আলী, আব্দুল কাইয়ুম, আবুল হোসেন, মাহফুজুর রহমান, দুলাল মিয়া, সামছুল হক প্রমুখ।
উল্লেখ্য যে, দশঘর মৎসজীবি সমবায় সমিতির কতিত সভাপতি সাইফুল বাহিনীর অন্যতম সদস্য আব্দুল জলিল গত ৩০ জানুয়ারী দ:বি আইনের ৩৮৫,৩৭৯,৫০৬,২ ধারা মতে আবুল কালামসহ ১৮জনকে আসামী করে বিশ্বনাথ থানায় একটি মামলা (মামলা নং-৩০, তাং- ৩০-০১-২০২১ইং) দায়ের করেন। মামলার বাদী হচ্ছেন গাগুটিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের পুত্র ও দশঘর মৎসজীবি সমিতির কতিত সভাপতি আব্দুল জলিল। এজহারে বাদী অভিযোগ করে বলেন, আসামী মজিদ, বাবুল, আবুল কালাম, মাহফুজুর রহমান, ছমির, জাহিদুল, নিজাম, আব্দুল মালিক চাউলধনী বিলে প্রতি সপ্তাহে ১ক্যারেট মাছ চাঁদা দাবী করেন। এতে মাছ না দেয়ায় আসামীরা ১০ক্যারেট জিওল মাছ অনুমাল মূল্য ১লক্ষ টাকা এবং ৪৫হাজার টাকা মূল্যের ১টি সেচ মেশিন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এমন অদ্ভুদ মামলা রেকডের পর গত ২০ ফেব্রুয়ারী বিশ্বনাথ থানা পুলিশ উপজেলা সদর থেকে আবুল কালাম ও মাহফুজুর রহমানকে গ্রেফতার করে। বিষয়টি উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তায় নজরে থাকায় তদন্ত শেষে থানা পুলিশ আদালতে মামলাটির ফাইনাল রির্পোট দাখিল করেন। এঘটনায় বিশ্বনাথের ডাক২৪ডটকমে একাদিক প্রতিবেদন প্রচারিত হয়েছিল।

ট্যাগস

বিশ্বনাথে চাউলধনী হাওর রক্ষা ও কৃষক বাঁচাও আন্দোলন কমিটির আহবায়কের জামিনে মুক্তি

আপডেট সময় ০৫:১০:৫২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মে ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিশ্বনাথ উপজেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য চাউলধনী রক্ষা ও কৃষক বাঁচাও আন্দোলন কমিটির আহবায়ক আবুল কালাম ও কৃষক মাহফুজুর রহমান সাজানো চাঁদাবাজি মামলায় আদালত থেকে জামিনে মুক্তি লাভ করেছেন। আবুল কালাম দীর্ঘ ৭১দিন এবং মাহফুজুর রহমান ৬৭দিন কারাভোগ করেন। ২ মে রবিবার সিলেটের জেলা ও দায়রা জজ আদালত আবুল কালামের জামিন মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আসামী পক্ষের সিনিয়র আইনজীবি এএসএম গফুর।

৩ মে সোমবার কারাগার থেকে মুক্তি লাভের পর আবুল কালাম ও মাহফুজুর রহমানকে ফুলের তোড়া দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।
এসময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আবুল কালাম বলেন, পুলিশের সহায়তায় খুনি সাইফুল কৃষকদের দমানোর জন্য সাজানো এই চাঁদাবাজি মামলাটি দায়ের করে। জেলে থাকাবস্থায় আমার পিতার মৃত্যু হলে তার মূখখানা দেখতে পারিনি কিংবা দাফন কাফনেও অংশ নিতে পারিনি। সাজানো এই মামলা দিয়ে যারা হয়রানী করেছে তাদের বিচার জনতার আদালতে হবেই।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের অন্যতম সদস্য এএইচএম ফিরোজ আলী, দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আনোয়ার হোসেন, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল হামিদ, জেলা যুবলীগ নেতা খালেদ রব, আন্দোলন কমিটির যুগ্ম আহবায়ক মাস্টার বাবুল মিয়া, আহমদ আলী, আব্দুল কাইয়ুম, আবুল হোসেন, মাহফুজুর রহমান, দুলাল মিয়া, সামছুল হক প্রমুখ।
উল্লেখ্য যে, দশঘর মৎসজীবি সমবায় সমিতির কতিত সভাপতি সাইফুল বাহিনীর অন্যতম সদস্য আব্দুল জলিল গত ৩০ জানুয়ারী দ:বি আইনের ৩৮৫,৩৭৯,৫০৬,২ ধারা মতে আবুল কালামসহ ১৮জনকে আসামী করে বিশ্বনাথ থানায় একটি মামলা (মামলা নং-৩০, তাং- ৩০-০১-২০২১ইং) দায়ের করেন। মামলার বাদী হচ্ছেন গাগুটিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল জব্বারের পুত্র ও দশঘর মৎসজীবি সমিতির কতিত সভাপতি আব্দুল জলিল। এজহারে বাদী অভিযোগ করে বলেন, আসামী মজিদ, বাবুল, আবুল কালাম, মাহফুজুর রহমান, ছমির, জাহিদুল, নিজাম, আব্দুল মালিক চাউলধনী বিলে প্রতি সপ্তাহে ১ক্যারেট মাছ চাঁদা দাবী করেন। এতে মাছ না দেয়ায় আসামীরা ১০ক্যারেট জিওল মাছ অনুমাল মূল্য ১লক্ষ টাকা এবং ৪৫হাজার টাকা মূল্যের ১টি সেচ মেশিন ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এমন অদ্ভুদ মামলা রেকডের পর গত ২০ ফেব্রুয়ারী বিশ্বনাথ থানা পুলিশ উপজেলা সদর থেকে আবুল কালাম ও মাহফুজুর রহমানকে গ্রেফতার করে। বিষয়টি উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তায় নজরে থাকায় তদন্ত শেষে থানা পুলিশ আদালতে মামলাটির ফাইনাল রির্পোট দাখিল করেন। এঘটনায় বিশ্বনাথের ডাক২৪ডটকমে একাদিক প্রতিবেদন প্রচারিত হয়েছিল।