ঢাকা ০১:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মহামারী করোনা থেকে বেরিয়ে আসতে বিশ্বকে অনেক বড় চ্যালেন্জ মোকাবিলা করতে হবে

মহামারী করোনার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঢেউয়ে নাকাল গোটা বিশ্ব। তবে এর থেকে মুক্তি পেতে বিশ্বকে অনেক বড় চ্যালেন্জ মোকাবিলা করতে হবে হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থা টির মহাসচিব বলেন এই ভাইরাস থেকে সহসাই মুক্তি মিলছেনা বিশ্ববাসীর তবে মুক্তি না মিললেও এ ভাইরাসকে পুরোপুরিভাবে এড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন ডব্লিউএইচও মহাসচিব তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস। গতকাল
সোমবার (১২ এপ্রিল) এক ব্রিফিংয়ে ডব্লিউএইচও মহাসচিব তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বলেন, ‘আমরাও চাই সামাজিক এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরায় খুলে দেওয়া হোক। যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু হোক।’
‘কিন্তু এই মুহূর্তে, অনেক দেশে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র-আইসিইউগুলোতে রোগীদের উপচে পড়া ভিড় এবং মানুষ মারা যাচ্ছেন। এটা পুরোপুরিভাবে এড়ানো সম্ভব’।
তিনি বলেন, ‘দ্বিধা, আত্মতুষ্টি এবং গণস্বাস্থ্যে নেওয়া পদক্ষেপে অসামঞ্জস্যতার কারণে’ সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। কিন্তু আমাদের আশাবাদী হওয়ার অনেক কারণ আছে। গত দুই মাসে সংক্রমণ ও মৃত্যু হ্রাস পাওয়ায় দেখা যায় এই ভাইরাস এবং ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্টগুলো প্রতিরোধ সম্ভব।’
ডব্লিউএইচও মহাসচিব বলেন, ‘কিছু মানুষের মনোভাব দেখা যায় যে, তারা তুলনামূলক তরুণ হওয়ায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়া কোনো বিষয়ই না।’
এদিকে করোনার বৈশ্বিক সংক্রমণে ১৩ কোটি ৭২ লাখ সাড়ে ৫৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ২৯ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩১ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১১ কোটি ৪ লাখ সাড়ে ৩৩ হাজারের বেশি মানুষ।

ট্যাগস

মহামারী করোনা থেকে বেরিয়ে আসতে বিশ্বকে অনেক বড় চ্যালেন্জ মোকাবিলা করতে হবে

আপডেট সময় ১০:১৩:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১

মহামারী করোনার দ্বিতীয় ও তৃতীয় ঢেউয়ে নাকাল গোটা বিশ্ব। তবে এর থেকে মুক্তি পেতে বিশ্বকে অনেক বড় চ্যালেন্জ মোকাবিলা করতে হবে হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থা টির মহাসচিব বলেন এই ভাইরাস থেকে সহসাই মুক্তি মিলছেনা বিশ্ববাসীর তবে মুক্তি না মিললেও এ ভাইরাসকে পুরোপুরিভাবে এড়ানো সম্ভব বলে মনে করেন ডব্লিউএইচও মহাসচিব তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস। গতকাল
সোমবার (১২ এপ্রিল) এক ব্রিফিংয়ে ডব্লিউএইচও মহাসচিব তেদ্রোস আধানম গেব্রেয়েসুস বলেন, ‘আমরাও চাই সামাজিক এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পুনরায় খুলে দেওয়া হোক। যোগাযোগ এবং ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু হোক।’
‘কিন্তু এই মুহূর্তে, অনেক দেশে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র-আইসিইউগুলোতে রোগীদের উপচে পড়া ভিড় এবং মানুষ মারা যাচ্ছেন। এটা পুরোপুরিভাবে এড়ানো সম্ভব’।
তিনি বলেন, ‘দ্বিধা, আত্মতুষ্টি এবং গণস্বাস্থ্যে নেওয়া পদক্ষেপে অসামঞ্জস্যতার কারণে’ সংক্রমণ ছড়াচ্ছে। কিন্তু আমাদের আশাবাদী হওয়ার অনেক কারণ আছে। গত দুই মাসে সংক্রমণ ও মৃত্যু হ্রাস পাওয়ায় দেখা যায় এই ভাইরাস এবং ভাইরাসের ভ্যারিয়েন্টগুলো প্রতিরোধ সম্ভব।’
ডব্লিউএইচও মহাসচিব বলেন, ‘কিছু মানুষের মনোভাব দেখা যায় যে, তারা তুলনামূলক তরুণ হওয়ায় কোভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়া কোনো বিষয়ই না।’
এদিকে করোনার বৈশ্বিক সংক্রমণে ১৩ কোটি ৭২ লাখ সাড়ে ৫৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ২৯ লাখ ৫৮ হাজার ৬৩১ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১১ কোটি ৪ লাখ সাড়ে ৩৩ হাজারের বেশি মানুষ।