ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

হেফাজত নেতা মামুনুল হক নারায়নগঞ্জের একটি রিসোর্ট থেকে নারী সহ অবরুদ্ধের পর উদ্ধার!

বিক্ষুব্ধ হেফাজতের কর্মীরা
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ের রয়্যাল রিসোর্ট থেকে নারীসহ অবরুদ্ধ মাওলানা মামুনুল হককে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। এর আগে রয়্যাল রিসোর্টে নারীসহ বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় জনগণের তোপের মুখে পড়েছেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মামুনুল হক। পরে পুলিশ তাকে নিরাপত্তা দিয়ে সেখান থেকে উদ্ধার করে সন্ধ্যায় থানায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ওই রিসোর্টে ব্যাপক ভাংচুর চালিয়ে হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা তাকে ছিনিয়ে নেয় । বিক্ষুব্ধ হেফাজতের নেতাকর্মী দের কাছে রিসোর্টের মধ্যে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন সোনারগাঁওয়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতিকুল ইসলাম, এসিল্যান্ড গোলাম মোস্তফা মুন্না, নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) টি আই মোশাররফ হোসেন, সোনারগাঁ থানার ওসি (তদন্ত) তবিদুর রহমানসহ অর্ধশতাধিক সাংবাদিক।
হেফাজত নেতা মামুনুল হকের দাবি তার সঙ্গে থাকা নারীর নাম আমিনা তৈয়বা তিনি মামুনুল হকের দ্বিতীয় স্ত্রী। আমিনাকে সঙ্গে নিয়ে রিসোর্টে ঘুরতে গিয়েছিলেন তিনি। তবে তার স্ত্রীকে তার নাম জিজ্ঞেস করলে তিনি অন্য নাম বলেন এ নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। সাড়ে চার ঘণ্টা পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মুক্ত হয়ে তিনি বলেন, আপনাদের ভালোবাসার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। সাংবাদিক ও পুলিশ আমার সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ করেনি। কিছু বাইরের লোক খারাপ আচরণ করেছে। আমি আমার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে এখানে ঘুরতে এসেছিলাম।
স্থানীয় পুলিশ জানায়, মামুনুল হক সকালে রয়েল রিসোর্টের ৫০১ নম্বর কক্ষটিতে উঠেন। দুপুর থেকেই এলাকায় চাউর হয় মামুনুল হক এক নারীসহ রিসোর্টে অবস্থান করছেন। এই খবরে এলাকার রিসোর্টটি ঘেরাও করে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

হেফাজত নেতা মামুনুল হক নারায়নগঞ্জের একটি রিসোর্ট থেকে নারী সহ অবরুদ্ধের পর উদ্ধার!

আপডেট সময় ০৩:২০:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ এপ্রিল ২০২১

বিক্ষুব্ধ হেফাজতের কর্মীরা
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ের রয়্যাল রিসোর্ট থেকে নারীসহ অবরুদ্ধ মাওলানা মামুনুল হককে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। এর আগে রয়্যাল রিসোর্টে নারীসহ বেড়াতে গিয়ে স্থানীয় জনগণের তোপের মুখে পড়েছেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মামুনুল হক। পরে পুলিশ তাকে নিরাপত্তা দিয়ে সেখান থেকে উদ্ধার করে সন্ধ্যায় থানায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ওই রিসোর্টে ব্যাপক ভাংচুর চালিয়ে হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা তাকে ছিনিয়ে নেয় । বিক্ষুব্ধ হেফাজতের নেতাকর্মী দের কাছে রিসোর্টের মধ্যে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন সোনারগাঁওয়ের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আতিকুল ইসলাম, এসিল্যান্ড গোলাম মোস্তফা মুন্না, নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) টি আই মোশাররফ হোসেন, সোনারগাঁ থানার ওসি (তদন্ত) তবিদুর রহমানসহ অর্ধশতাধিক সাংবাদিক।
হেফাজত নেতা মামুনুল হকের দাবি তার সঙ্গে থাকা নারীর নাম আমিনা তৈয়বা তিনি মামুনুল হকের দ্বিতীয় স্ত্রী। আমিনাকে সঙ্গে নিয়ে রিসোর্টে ঘুরতে গিয়েছিলেন তিনি। তবে তার স্ত্রীকে তার নাম জিজ্ঞেস করলে তিনি অন্য নাম বলেন এ নিয়ে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। সাড়ে চার ঘণ্টা পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মুক্ত হয়ে তিনি বলেন, আপনাদের ভালোবাসার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। সাংবাদিক ও পুলিশ আমার সঙ্গে কোনো খারাপ আচরণ করেনি। কিছু বাইরের লোক খারাপ আচরণ করেছে। আমি আমার দ্বিতীয় স্ত্রীকে নিয়ে এখানে ঘুরতে এসেছিলাম।
স্থানীয় পুলিশ জানায়, মামুনুল হক সকালে রয়েল রিসোর্টের ৫০১ নম্বর কক্ষটিতে উঠেন। দুপুর থেকেই এলাকায় চাউর হয় মামুনুল হক এক নারীসহ রিসোর্টে অবস্থান করছেন। এই খবরে এলাকার রিসোর্টটি ঘেরাও করে।