ঢাকা ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হেফাজতে ইসলামের উচ্ছৃঙ্খল রাজনীতি বন্ধের আহবান জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন কে উপলক্ষ করে
হেফাজতে ইসলাম সহ বিরোধী দলগুলোর নেতাকর্মী দারা দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগসহ সব ধরনের উচ্ছৃঙ্খল আচরণ বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে এটা না মানলে জনগণের জানমাল ও সম্পদ রক্ষার্থে সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে বলেও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ কথা জানায়। যদিও এর আগে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদির আগমন উপলক্ষে গত কয়েকদিন ধরে আন্দোলন করে আসছে হেফাজতে ইসলাম। আন্দোলনকারীদের হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে রোববার (২৮ মার্চ) হরতাল পালন করছে হেফাজতে ইসলাম। হরতালে দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশ ও সরকার দলীয় সংগঠনের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন স্থানে বাড়ি ও সরকারি স্থাপনায় অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, ‘গত দুই দিন যাবত কতিপয় উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি ও গোষ্ঠী ধর্মীয় উন্মাদনায় চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলায় এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলার সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করছে। যার মধ্যে উপজেলা পরিষদ, থানা ভবন, সরকারি ভূমি অফিস, পুলিশ ফাঁড়ি, রেল স্টেশন, রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বাড়ি-ঘর, প্রেসক্লাবসহ জানমালের ক্ষয়ক্ষতি করে যাচ্ছে। এ জাতীয় ক্ষয়ক্ষতিসহ সকল প্রকার উচ্ছৃঙ্খল আচরণ বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। অন্যথায় সরকার দেশের জনগণের জানমাল ও সম্পদ রক্ষার্থে কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হবে।

ট্যাগস

হেফাজতে ইসলামের উচ্ছৃঙ্খল রাজনীতি বন্ধের আহবান জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় ০৩:২১:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ মার্চ ২০২১

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আগমন কে উপলক্ষ করে
হেফাজতে ইসলাম সহ বিরোধী দলগুলোর নেতাকর্মী দারা দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগসহ সব ধরনের উচ্ছৃঙ্খল আচরণ বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে এটা না মানলে জনগণের জানমাল ও সম্পদ রক্ষার্থে সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে বলেও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ কথা জানায়। যদিও এর আগে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদির আগমন উপলক্ষে গত কয়েকদিন ধরে আন্দোলন করে আসছে হেফাজতে ইসলাম। আন্দোলনকারীদের হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে রোববার (২৮ মার্চ) হরতাল পালন করছে হেফাজতে ইসলাম। হরতালে দেশের বিভিন্ন স্থানে হেফাজতের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশ ও সরকার দলীয় সংগঠনের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিভিন্ন স্থানে বাড়ি ও সরকারি স্থাপনায় অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, ‘গত দুই দিন যাবত কতিপয় উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি ও গোষ্ঠী ধর্মীয় উন্মাদনায় চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলায় এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলার সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করছে। যার মধ্যে উপজেলা পরিষদ, থানা ভবন, সরকারি ভূমি অফিস, পুলিশ ফাঁড়ি, রেল স্টেশন, রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বাড়ি-ঘর, প্রেসক্লাবসহ জানমালের ক্ষয়ক্ষতি করে যাচ্ছে। এ জাতীয় ক্ষয়ক্ষতিসহ সকল প্রকার উচ্ছৃঙ্খল আচরণ বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। অন্যথায় সরকার দেশের জনগণের জানমাল ও সম্পদ রক্ষার্থে কঠোর অবস্থানে যেতে বাধ্য হবে।