ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

করোনা প্রতিরোধে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন নিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে শেষমেশ অক্সফোর্ডের টিকা নিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এই টিকা নিরাপদ এমন ধারণার প্রতি আস্থা অবিচল রাখতে নিজেই এই টিকা নিয়েছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন (৫৬)। শুক্রবার তিনি মধ্য লন্ডনের সেইন্ট থমাস হাসপাতালে এই টিকা নেন। গত বছর এপ্রিলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সেইন্ট থমাস হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছিলেন জনসন। শুক্রবার সেখানেই তার বাম বাহুতে টিকা প্রয়োগ করেন নার্স লিলি। টিকা নেয়ার পর জনসন দু’হাতের বুড়ো আঙ্গুল উঁচিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন। বলেন, টিকা পুশ করার সময় তিনি আক্ষরিত অর্থেই কিছু টের পাননি। এর মধ্য দিয়ে তিনি দেশবাসীর কাছে শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দিলেন যে, এই টিকা নিরাপদ।

যদিও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নেতাদের মধ্যে এ নিয়ে নানা রকম দ্বিধাদ্বন্দ্ব আছে। উল্লেখ্য ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি সহ কয়েকটি দেশ এই টিকার ব্যবহার সাময়িক স্থগিত করেছে। তাদের দাবি, এই টিকা নেয়ার পর রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়। তবে এসব নেতার এমন বক্তব্যকে অনেকেই রাজনৈতিক হিসাবনিকাশ বলে এর নিন্দা জানিয়েছেন অনেকে। কোনো কোনো স্থানে নিয়ন্ত্রকরা টিকাকে নিরাপদ ঘোষণা দেয়ার পর আবার শুরু হয়েছে টিকা দেয়া। শুক্রবার রাতে ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি বলেছেন, তিনি ওই রাতেই টিকা নেবেন। তিনি ইউরোপের অন্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বিজ্ঞানীদের কথা শোনেন। ইউরোপিয়ান মেডিসিন্স এজেন্সির কথা শোনেন। ঝুঁকিটা হলো করোনার।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

করোনা প্রতিরোধে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন নিলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

আপডেট সময় ০৪:৫৪:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ মার্চ ২০২১

মহামারী করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে শেষমেশ অক্সফোর্ডের টিকা নিয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এই টিকা নিরাপদ এমন ধারণার প্রতি আস্থা অবিচল রাখতে নিজেই এই টিকা নিয়েছেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন (৫৬)। শুক্রবার তিনি মধ্য লন্ডনের সেইন্ট থমাস হাসপাতালে এই টিকা নেন। গত বছর এপ্রিলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর সেইন্ট থমাস হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছিলেন জনসন। শুক্রবার সেখানেই তার বাম বাহুতে টিকা প্রয়োগ করেন নার্স লিলি। টিকা নেয়ার পর জনসন দু’হাতের বুড়ো আঙ্গুল উঁচিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেন। বলেন, টিকা পুশ করার সময় তিনি আক্ষরিত অর্থেই কিছু টের পাননি। এর মধ্য দিয়ে তিনি দেশবাসীর কাছে শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দিলেন যে, এই টিকা নিরাপদ।

যদিও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের নেতাদের মধ্যে এ নিয়ে নানা রকম দ্বিধাদ্বন্দ্ব আছে। উল্লেখ্য ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি সহ কয়েকটি দেশ এই টিকার ব্যবহার সাময়িক স্থগিত করেছে। তাদের দাবি, এই টিকা নেয়ার পর রক্ত জমাট বেঁধে যাওয়ার মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়। তবে এসব নেতার এমন বক্তব্যকে অনেকেই রাজনৈতিক হিসাবনিকাশ বলে এর নিন্দা জানিয়েছেন অনেকে। কোনো কোনো স্থানে নিয়ন্ত্রকরা টিকাকে নিরাপদ ঘোষণা দেয়ার পর আবার শুরু হয়েছে টিকা দেয়া। শুক্রবার রাতে ইতালির প্রধানমন্ত্রী মারিও দ্রাঘি বলেছেন, তিনি ওই রাতেই টিকা নেবেন। তিনি ইউরোপের অন্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বিজ্ঞানীদের কথা শোনেন। ইউরোপিয়ান মেডিসিন্স এজেন্সির কথা শোনেন। ঝুঁকিটা হলো করোনার।