ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে দেড় বছর ধরে বিদ্যুৎ অফিসে ঘুরাঘুরি করেও বিদ্যুৎ পায়নি দিনমজুর পরিবার

বিশ্বনাথ সিলেট প্রতিনিধি :: সব কিছুই ঠিকঠাক হচ্ছিল। আবেদনের পর স্থাপন করা হয়েছিল খুঁটিও। লাইন টেনে কেবল সংযোগ দিলেই বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হতো চারটি দিনমজুর পরিবার।

কিন্তু দীর্ঘ দেড় বছর ধরে বিদ্যুতের কার্যালয়ে ঘুরেও বিদ্যুৎ সংযোগ পায়নি তারা। প্রতিবেশীর নিছক আপত্তিকে ‘অজুহাত’ করে সংযোগ দিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনা সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের দশদল গ্রামের। গ্রামের ৪টি দিনমজুর পরিবার বিদ্যুৎ না পেয়ে ভোগান্তি পোহাচ্ছে।
পরিবারগুলোর পক্ষে বিদ্যুতের আবেদনকারী কয়েছ আলী জানান, ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে আমরা ‘বিশ্বনাথ জোনাল অফিসে’ আবেদন করি।
আবেদনের কয়েক মাসের মাথায় কর্তৃপক্ষ খুঁটিও স্থাপন করে। আমরা বিদ্যুতের আশায়, খেয়ে না খেয়ে টাকা জোগাড় করে মিটারের জন্যে জমা দেই। এরপর অযৌক্তিক
আপত্তি তোলেন আমাদের প্রতিবেশী আবদুস ছাত্তারের ছেলে বশির মিয়া গং। তিনি তার জায়গার উপর দিয়ে বিদ্যুৎ নিতে দিচ্ছেন না।
পল্লীবিদ্যুৎ বিশ্বনাথ জোনাল অফিসের ডিজিএম সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, নতুন করে ‘ডিজাইন’ করে অন্যদিক থেকে হয়তো বিদ্যুৎ দিতে হবে। উনারা (আবেদনকারী)
আসুক, কথা বলে আমি বিষয়টি দেখছি।
এ বিষয়ে কথা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্ণালী পাল ‘সাংবাদিকদের বলেন, এ বিষয়টি কেউ আমাকে জানায়নি। বিদ্যুৎ অফিসের সাথে কথা বলে, অবশ্যই তাদের সহযোগীতা করবেন বলে তিনি জানান।

ট্যাগস

বিশ্বনাথে দেড় বছর ধরে বিদ্যুৎ অফিসে ঘুরাঘুরি করেও বিদ্যুৎ পায়নি দিনমজুর পরিবার

আপডেট সময় ১২:০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ মার্চ ২০২১

বিশ্বনাথ সিলেট প্রতিনিধি :: সব কিছুই ঠিকঠাক হচ্ছিল। আবেদনের পর স্থাপন করা হয়েছিল খুঁটিও। লাইন টেনে কেবল সংযোগ দিলেই বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হতো চারটি দিনমজুর পরিবার।

কিন্তু দীর্ঘ দেড় বছর ধরে বিদ্যুতের কার্যালয়ে ঘুরেও বিদ্যুৎ সংযোগ পায়নি তারা। প্রতিবেশীর নিছক আপত্তিকে ‘অজুহাত’ করে সংযোগ দিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনা সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের দশদল গ্রামের। গ্রামের ৪টি দিনমজুর পরিবার বিদ্যুৎ না পেয়ে ভোগান্তি পোহাচ্ছে।
পরিবারগুলোর পক্ষে বিদ্যুতের আবেদনকারী কয়েছ আলী জানান, ২০১৯ সালের অক্টোবর মাসে বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে আমরা ‘বিশ্বনাথ জোনাল অফিসে’ আবেদন করি।
আবেদনের কয়েক মাসের মাথায় কর্তৃপক্ষ খুঁটিও স্থাপন করে। আমরা বিদ্যুতের আশায়, খেয়ে না খেয়ে টাকা জোগাড় করে মিটারের জন্যে জমা দেই। এরপর অযৌক্তিক
আপত্তি তোলেন আমাদের প্রতিবেশী আবদুস ছাত্তারের ছেলে বশির মিয়া গং। তিনি তার জায়গার উপর দিয়ে বিদ্যুৎ নিতে দিচ্ছেন না।
পল্লীবিদ্যুৎ বিশ্বনাথ জোনাল অফিসের ডিজিএম সাইফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, নতুন করে ‘ডিজাইন’ করে অন্যদিক থেকে হয়তো বিদ্যুৎ দিতে হবে। উনারা (আবেদনকারী)
আসুক, কথা বলে আমি বিষয়টি দেখছি।
এ বিষয়ে কথা হলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্ণালী পাল ‘সাংবাদিকদের বলেন, এ বিষয়টি কেউ আমাকে জানায়নি। বিদ্যুৎ অফিসের সাথে কথা বলে, অবশ্যই তাদের সহযোগীতা করবেন বলে তিনি জানান।