ঢাকা ০২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মে ২০২৪, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আসন্ন উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইসির ব্যর্থতা ও বেআইনিভাবে সরকারের হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনে আসন্ন অবশিষ্ট পৌরসভা ও উপজেলা নির্বাচনগুলোতে অংশ গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। আজ সোমবার তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
এর আগে শনিবার দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে জানানো হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এতে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যরিষ্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
সভায় দলের খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ও তার বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলোর বিষয়ে আলোচনা করেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় জামিনে মুক্ত কার্টুনিস্ট কিশোরের গণমাধ্যমে প্রদত্ত সাক্ষাৎকারের বিষয়ে আলোচনা করেন।
ভার্চুয়াল সভায় লেখক মুশতাক আহমেদসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক বন্দিদের ওপরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশবিক নির্যাতন চালানো নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি গণবিরোধী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

ট্যাগস

আসন্ন উপজেলা ও পৌরসভা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির

আপডেট সময় ০২:৫২:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ মার্চ ২০২১

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী বলেছেন
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হওয়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ইসির ব্যর্থতা ও বেআইনিভাবে সরকারের হস্তক্ষেপের অভিযোগ এনে আসন্ন অবশিষ্ট পৌরসভা ও উপজেলা নির্বাচনগুলোতে অংশ গ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। আজ সোমবার তিনি এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।
এর আগে শনিবার দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে জানানো হয়।
এতে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এতে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যরিষ্টার জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেগম সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
সভায় দলের খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ও তার বিরুদ্ধে চলমান মামলাগুলোর বিষয়ে আলোচনা করেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়া ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় জামিনে মুক্ত কার্টুনিস্ট কিশোরের গণমাধ্যমে প্রদত্ত সাক্ষাৎকারের বিষয়ে আলোচনা করেন।
ভার্চুয়াল সভায় লেখক মুশতাক আহমেদসহ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে আটক বন্দিদের ওপরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশবিক নির্যাতন চালানো নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি গণবিরোধী ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিলের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।