ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৪, ২৬ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বাক প্রতিবন্ধী দুই সন্তানের জননী ধর্ষিত!

লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতাঃ লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বাকপ্রতিবন্ধী দুই সন্তানের জননী ধর্ষিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি উপজেলার ৮ নং চরবংশী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে ঘটেছে।
বাকপ্রতিবন্ধী নির্যাতিত ওই গৃহবধূর মা ও কৃষক কাশেম হাওলাদারের স্ত্রী ছকিনা বেগম জানান-‘সন্ধ্যার পরেই টিভি দেখে ভিকটিম আগুন পোহাতে ঘরের বাহিরে এলে একই এলাকার ব্যাপার বাড়ির কাসেম ব্যাপারীর ছেলে তিন সন্তানের জনক রহিম আলী কৌশলে মেয়েটিকে অদূরে নির্জন পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে।
জানা গেছে, রহিম আলী এর পূর্বেও বিভিন্ন সময় মেয়েদের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়া সহ​ বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিয়েছিল।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন রহিম একটা খারাপ, দুশ্চরিত্রা, নারীলোভী। সে কখন কি করে কেউ বলতে পারবে না।
ভিকটিমের পরিবারটি অত্যন্ত গরীব অসহায় হওয়ার দরুন স্থানীয় মাতবররা একে পুঁজি করে ধর্ষকদের সাথে টাকা নিয়ে দরকষাকষি চালিয়ে যাচ্ছে।
উক্ত ঘটনায় রহিম আলী ও তার স্ত্রী পালিয়ে যাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় চেয়ারম্যান মিন্টু ফরায়েজী বলেন-‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। অত্যন্ত দুঃখজনক। তাদেরকে আইনের আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দিয়েছি।’
স্থানীয় হাজিমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইউসুফ বলেন- ‘আমাকে ঘটনাটা সম্পর্কে জানিয়েছেন একজন মহিলা মেম্বার প্রার্থী। সে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা করছে। স্থানীয় পর্যায়ে মীমাংসা হলে তো ভালই হয়। আইন-আদালত করে উভয় পক্ষের হয়রানি।’
ধর্ষণের বিচার স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হয় কিনা জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।
এসপি রায়পুর সার্কেল স্পীনা রানী প্রামানিক বলেন- ‘ভিকটিমকে তার গার্ডিয়ান নিয়ে রায়পুর থানায় ওসির সাথে দেখা করতে বলেন। মামলা করতে বলেন। আমি ছুটিতে আছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বাক প্রতিবন্ধী দুই সন্তানের জননী ধর্ষিত!

আপডেট সময় ০২:১১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ জানুয়ারী ২০২১
লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতাঃ লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বাকপ্রতিবন্ধী দুই সন্তানের জননী ধর্ষিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি উপজেলার ৮ নং চরবংশী ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডে ঘটেছে।
বাকপ্রতিবন্ধী নির্যাতিত ওই গৃহবধূর মা ও কৃষক কাশেম হাওলাদারের স্ত্রী ছকিনা বেগম জানান-‘সন্ধ্যার পরেই টিভি দেখে ভিকটিম আগুন পোহাতে ঘরের বাহিরে এলে একই এলাকার ব্যাপার বাড়ির কাসেম ব্যাপারীর ছেলে তিন সন্তানের জনক রহিম আলী কৌশলে মেয়েটিকে অদূরে নির্জন পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে।
জানা গেছে, রহিম আলী এর পূর্বেও বিভিন্ন সময় মেয়েদের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দেয়া সহ​ বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব দিয়েছিল।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন রহিম একটা খারাপ, দুশ্চরিত্রা, নারীলোভী। সে কখন কি করে কেউ বলতে পারবে না।
ভিকটিমের পরিবারটি অত্যন্ত গরীব অসহায় হওয়ার দরুন স্থানীয় মাতবররা একে পুঁজি করে ধর্ষকদের সাথে টাকা নিয়ে দরকষাকষি চালিয়ে যাচ্ছে।
উক্ত ঘটনায় রহিম আলী ও তার স্ত্রী পালিয়ে যাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় চেয়ারম্যান মিন্টু ফরায়েজী বলেন-‘আমি ঘটনাটি শুনেছি। অত্যন্ত দুঃখজনক। তাদেরকে আইনের আশ্রয় নেয়ার পরামর্শ দিয়েছি।’
স্থানীয় হাজিমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইউসুফ বলেন- ‘আমাকে ঘটনাটা সম্পর্কে জানিয়েছেন একজন মহিলা মেম্বার প্রার্থী। সে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসা করার চেষ্টা করছে। স্থানীয় পর্যায়ে মীমাংসা হলে তো ভালই হয়। আইন-আদালত করে উভয় পক্ষের হয়রানি।’
ধর্ষণের বিচার স্থানীয়ভাবে মীমাংসা হয় কিনা জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।
এসপি রায়পুর সার্কেল স্পীনা রানী প্রামানিক বলেন- ‘ভিকটিমকে তার গার্ডিয়ান নিয়ে রায়পুর থানায় ওসির সাথে দেখা করতে বলেন। মামলা করতে বলেন। আমি ছুটিতে আছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’