ঢাকা ১১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন বিশ্বনাথে।

বিশ্বনাথ সংবাদদাতাঃ ২নং খাজাঞ্চি ইউনিয়নের এলাহাবাদ (তেলিকোনা) আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ আবু তাহির মোহাম্মদ হোসাইনের বিরুদ্ধে মাদরাসা শিক্ষক মখলিসুর রহমানসহ তার আত্নীয় স্বজন কর্তৃক বিভিন্ন অপপ্রচার সরকারের বিভিন্ন দফতরে সাজানো মিথ্যা অভিযোগ ও গণ মাধ্যমে আপত্তিকর সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে এলাকাবাসির পক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বুধবার দুপুর ২টায় বিশ^নাথ প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গনাইঘর নিবাসী সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মো: মাসুক মিয়া।

মাসুক মিয়া তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ১৯৭০ সালে এলাহাবাদ মাদরাসাটি মরহুম মাওলানা ওলিউর রহমানের উদ্যোগে ও এলাকাবাসির সহায়তায় প্রতিষ্টিত হয়। ২০০৪ সালে সরকার মাদরাসাটিকে আলিম স্তরে উন্নীত করেন। ১৯৯৫ সাল থেকে অধ্যক্ষ আবু তাহের যোগদানের পর থেকে মাদরাসাটিকে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরিচালনা করে আসছেন। সরকার জামাত শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার পর মাদরাসার শিক্ষক মখলিসুর রহমান জামাত শিবিরের বিভিন্ন জিহাদী কার্যক্রম এবং মাদরাসার অভ্যন্তরে সিলেট অঞ্চলের জামাত শিবিরের গোপন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেন। জামাত শিবিরের সংগঠন ইত্তেহাদুল কুররা এই মাদরাসায় পরিচালনা করে থাকেন। মখলিসুর রহমানের ভাতিজা সিদ্দিকুর রহমান, নুরুর রহমান সক্রিয় ভাবে জামাত শিবিরের সাথে বংশানুক্রমিকভাবে জড়িত। তারা আর রহমান এডুকেশন ট্রাস্ট নামে একটি সংগঠন করে পর্দার আড়ালে এই মাদরাসায় জামাত শিবিরের বিভিন্ন গোপন বৈঠক ও প্রশিক্ষণ পরিচালনা করে থাকেন। অধ্যক্ষ আবু তাহির সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক বিজয় দিবস সহ জাতীয় বিভিন্ন দিবস পালন করেতে চাইলে মখলিসুর রহমান সহ জামাত শিবিরের লোকজন অধ্যক্ষকে গালি গালাজ ও নানাভাবে হয়রানি চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। মখলিসুর রহমান ইত্তেহাদুল কুররা এই কেন্দ্রের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এলাকাবাসি জামাত শিবিরের রাষ্ট্র ও সরকার বিরুধী এবং জিহাদী কর্মকান্ডের জন্য মখলিসুর রহমান, নুরুর রহমান, সিদ্দিকুর রহমান ও আমিনুর রহমানের বিরুদ্ধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর বরাবরে অভিযোগ দায়ের করলে সিলেটের পুলিশ সুপার কার্যালয়ের স্বারক নং-ভি/ ২৩৫, তারিখ ১৪/০১/২০২০ইং তারিখে বিশ^নাথ থানা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিলে ওসি শামিম মুসা তদন্ত রিপোর্টে মাদরাসায় জামাত শিবিরের কোন সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি মর্মে রিপোর্ট দাখিল করনে। অধ্যক্ষ আবু তাহের ১০/১১/২০২০ইং তারিখে বিশ^নাথ থানায় ৫১৮ নং সাধারণ ডায়েরী করলে এএসআই সাইদুল ইসলাম তদন্ত করে কোন স্বাক্ষ প্রমান পাওয়া যায়নি বলে আদালতে এক প্রতিবেদন দাখিল করেন। সংবাদ সম্মেলনে ওসি ও দারগার মনগড়া প্রতিবেদন সাংবাদিকদের দেখান।

লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, সরকারি বিধান মতে, ৬লক্ষ টাকা প্রতিষ্টানে দান করে প্রতিষ্টাতা হওয়া বিধান রয়েছে। কিন্তু মখলিসুর রহমান নিজে শিক্ষক হয়ে মাদরাসায় কোন অনুদান না দিয়ে জোর পূর্বকভাবে প্রতিষ্টাতা হওয়ায় জন্য অধ্যক্ষকে চাপ সৃষ্টি করেন। মাদরাসা প্রতিষ্টাকালিন সময়ে মরহুম হাজি হুশিয়ার আলী, তমিজ উল্লাহ, আব্দুন নুর প্রতিষ্টাতা হলেও তাদের নাম মুছে দিচ্ছেন মখলিসুর রহমান। মাদরাসার ভবণ নির্মানের জন্য বর্তমান সরকার ৭৩ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ করলে বর্তমান মাদরাসার জায়গা রয়েছে ১১ শতক এবং এই ১১ শতক ভুমি মখলিসুর রহমানের ঘরের পাশে থাকায় তিনি এই ১১ শতকের মধ্যে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ভবণ নির্মাণের চাপ সৃষ্টি করেন। এখানে ভবন নির্মিত হলে জামাত শিবিরের কার্যক্রম মাদরাসায় পরিচালনা করা যাবে। কিন্তু অধ্যক্ষ সরকারের বিধি মোতাবেক ৮০ শতক খোলা জায়গায় ভবন নির্মাণের মত দেয়ার কারনে জামাত শিবিরের উগ্র কর্মীরা প্রশাসনের মাধ্যমে হয়রানি করছেন।

তেলিকোনা গ্রামের মৃত রাশিদ আলীর পুত্র শিবির ক্যাডার গত ৬ ফেব্রুয়ারী অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা সাজানো হয়রানি মুলক মামলা দায়ের করেন। শুধু তাই নয় অধ্যক্ষ আবু তাহির মাদরাসায় সরকারি চাকুরি করে ইউনিয়ন কাজির দায়িত্ব পালন করা বেআইনি বলে বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ দায়ের করা হয়। কিন্তু মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন বিধিমালা ২০০৯ এর ১৯ ও ২০ বিধি এবং শিক্ষামন্ত্রনালয়ের অনুমতি রয়েছে। জামাত শিবিরের অব্যাহত শারীরিক মানসিক চাপের কারনে অধ্যক্ষ একবার ব্রেনস্টোক ও করেছেন। মাদরাসার আয় ব্যয় সংক্রান্ত বিষয়ে মখলিসুর রহমান ও জামাতিরা বিভিন্ন দফতরে যে অভিযোদ দায়ের করেছেন তা মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত আখ্যায়িক করে বলা হয়, ক্রয় উপ-কমিটি, অডিট কমিটি এবং গভনিং বডির সভায় যথাযত ভাবে এসবের অনুমোদন রয়েছে। মুলত অধ্যক্ষ আবু তাহির ফুলতলী সমর্থক হওয়ায় এবং মখলিসুর রহমান জামাত শিবিরের গোপন প্রশিক্ষণ, জিহাদী কার্যক্রমে বাঁধা আপত্তি করায় আবু তাহিরের বিরুদ্ধে তাঁকে মাদরাসা থেকে তাড়িয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র করছেন মখলিসুর রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে বিশ^নাথ থানা পুলিশ ব্যতীত অন্য যে কোন গোয়েন্ধা সংস্থার মাধ্যমে জামাত শিবিরের রাষ্ট্র বিরুধী ও জেহাদী কার্যক্রমের তদন্ত দাবি করা হয়। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলা হয়, দেশে বিদেশে মখলিসুর রহমান, নুরুর রহমান, সিদ্দিকুর রহমান, আমিনুর রহমান ও ফারুক আহমদ শিবিরের জঙ্গি কার্যক্রমের সাথে জড়িত বলে সবাই জানে। সাংবাদিক সম্মেলনে এলাকার গন্যমাণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা উস্তার আলী, দীপবন্দ গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল মতিন, রজব আলী, রুহেল আহমদ, তেলিকোনা গ্রামের আবুল হোসেন, ভাটপাড়া গ্রামের মাওলানা নিজাম উদ্দিন, মোহাম্মদপুর গ্রামের সুলতান আলী, গভনিং বডির সদস্য আরজু মিয়া, ক্বারি ওলীউর রহমান তালুকদার, তেলিকোনা গ্রামের তারেক আহমদ, আফতাব মিয়া, গনাইঘর গ্রামের ফারুক আহমদ প্রমুখ।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন বিশ্বনাথে।

আপডেট সময় ০৯:৪১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২০

বিশ্বনাথ সংবাদদাতাঃ ২নং খাজাঞ্চি ইউনিয়নের এলাহাবাদ (তেলিকোনা) আলিম মাদরাসার অধ্যক্ষ আবু তাহির মোহাম্মদ হোসাইনের বিরুদ্ধে মাদরাসা শিক্ষক মখলিসুর রহমানসহ তার আত্নীয় স্বজন কর্তৃক বিভিন্ন অপপ্রচার সরকারের বিভিন্ন দফতরে সাজানো মিথ্যা অভিযোগ ও গণ মাধ্যমে আপত্তিকর সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে এলাকাবাসির পক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বুধবার দুপুর ২টায় বিশ^নাথ প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গনাইঘর নিবাসী সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মো: মাসুক মিয়া।

মাসুক মিয়া তার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ১৯৭০ সালে এলাহাবাদ মাদরাসাটি মরহুম মাওলানা ওলিউর রহমানের উদ্যোগে ও এলাকাবাসির সহায়তায় প্রতিষ্টিত হয়। ২০০৪ সালে সরকার মাদরাসাটিকে আলিম স্তরে উন্নীত করেন। ১৯৯৫ সাল থেকে অধ্যক্ষ আবু তাহের যোগদানের পর থেকে মাদরাসাটিকে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরিচালনা করে আসছেন। সরকার জামাত শিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার পর মাদরাসার শিক্ষক মখলিসুর রহমান জামাত শিবিরের বিভিন্ন জিহাদী কার্যক্রম এবং মাদরাসার অভ্যন্তরে সিলেট অঞ্চলের জামাত শিবিরের গোপন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলেন। জামাত শিবিরের সংগঠন ইত্তেহাদুল কুররা এই মাদরাসায় পরিচালনা করে থাকেন। মখলিসুর রহমানের ভাতিজা সিদ্দিকুর রহমান, নুরুর রহমান সক্রিয় ভাবে জামাত শিবিরের সাথে বংশানুক্রমিকভাবে জড়িত। তারা আর রহমান এডুকেশন ট্রাস্ট নামে একটি সংগঠন করে পর্দার আড়ালে এই মাদরাসায় জামাত শিবিরের বিভিন্ন গোপন বৈঠক ও প্রশিক্ষণ পরিচালনা করে থাকেন। অধ্যক্ষ আবু তাহির সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক বিজয় দিবস সহ জাতীয় বিভিন্ন দিবস পালন করেতে চাইলে মখলিসুর রহমান সহ জামাত শিবিরের লোকজন অধ্যক্ষকে গালি গালাজ ও নানাভাবে হয়রানি চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। মখলিসুর রহমান ইত্তেহাদুল কুররা এই কেন্দ্রের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এলাকাবাসি জামাত শিবিরের রাষ্ট্র ও সরকার বিরুধী এবং জিহাদী কর্মকান্ডের জন্য মখলিসুর রহমান, নুরুর রহমান, সিদ্দিকুর রহমান ও আমিনুর রহমানের বিরুদ্ধ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীর বরাবরে অভিযোগ দায়ের করলে সিলেটের পুলিশ সুপার কার্যালয়ের স্বারক নং-ভি/ ২৩৫, তারিখ ১৪/০১/২০২০ইং তারিখে বিশ^নাথ থানা পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিলে ওসি শামিম মুসা তদন্ত রিপোর্টে মাদরাসায় জামাত শিবিরের কোন সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি মর্মে রিপোর্ট দাখিল করনে। অধ্যক্ষ আবু তাহের ১০/১১/২০২০ইং তারিখে বিশ^নাথ থানায় ৫১৮ নং সাধারণ ডায়েরী করলে এএসআই সাইদুল ইসলাম তদন্ত করে কোন স্বাক্ষ প্রমান পাওয়া যায়নি বলে আদালতে এক প্রতিবেদন দাখিল করেন। সংবাদ সম্মেলনে ওসি ও দারগার মনগড়া প্রতিবেদন সাংবাদিকদের দেখান।

লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, সরকারি বিধান মতে, ৬লক্ষ টাকা প্রতিষ্টানে দান করে প্রতিষ্টাতা হওয়া বিধান রয়েছে। কিন্তু মখলিসুর রহমান নিজে শিক্ষক হয়ে মাদরাসায় কোন অনুদান না দিয়ে জোর পূর্বকভাবে প্রতিষ্টাতা হওয়ায় জন্য অধ্যক্ষকে চাপ সৃষ্টি করেন। মাদরাসা প্রতিষ্টাকালিন সময়ে মরহুম হাজি হুশিয়ার আলী, তমিজ উল্লাহ, আব্দুন নুর প্রতিষ্টাতা হলেও তাদের নাম মুছে দিচ্ছেন মখলিসুর রহমান। মাদরাসার ভবণ নির্মানের জন্য বর্তমান সরকার ৭৩ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ করলে বর্তমান মাদরাসার জায়গা রয়েছে ১১ শতক এবং এই ১১ শতক ভুমি মখলিসুর রহমানের ঘরের পাশে থাকায় তিনি এই ১১ শতকের মধ্যে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে ভবণ নির্মাণের চাপ সৃষ্টি করেন। এখানে ভবন নির্মিত হলে জামাত শিবিরের কার্যক্রম মাদরাসায় পরিচালনা করা যাবে। কিন্তু অধ্যক্ষ সরকারের বিধি মোতাবেক ৮০ শতক খোলা জায়গায় ভবন নির্মাণের মত দেয়ার কারনে জামাত শিবিরের উগ্র কর্মীরা প্রশাসনের মাধ্যমে হয়রানি করছেন।

তেলিকোনা গ্রামের মৃত রাশিদ আলীর পুত্র শিবির ক্যাডার গত ৬ ফেব্রুয়ারী অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা সাজানো হয়রানি মুলক মামলা দায়ের করেন। শুধু তাই নয় অধ্যক্ষ আবু তাহির মাদরাসায় সরকারি চাকুরি করে ইউনিয়ন কাজির দায়িত্ব পালন করা বেআইনি বলে বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ দায়ের করা হয়। কিন্তু মুসলিম বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন বিধিমালা ২০০৯ এর ১৯ ও ২০ বিধি এবং শিক্ষামন্ত্রনালয়ের অনুমতি রয়েছে। জামাত শিবিরের অব্যাহত শারীরিক মানসিক চাপের কারনে অধ্যক্ষ একবার ব্রেনস্টোক ও করেছেন। মাদরাসার আয় ব্যয় সংক্রান্ত বিষয়ে মখলিসুর রহমান ও জামাতিরা বিভিন্ন দফতরে যে অভিযোদ দায়ের করেছেন তা মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত আখ্যায়িক করে বলা হয়, ক্রয় উপ-কমিটি, অডিট কমিটি এবং গভনিং বডির সভায় যথাযত ভাবে এসবের অনুমোদন রয়েছে। মুলত অধ্যক্ষ আবু তাহির ফুলতলী সমর্থক হওয়ায় এবং মখলিসুর রহমান জামাত শিবিরের গোপন প্রশিক্ষণ, জিহাদী কার্যক্রমে বাঁধা আপত্তি করায় আবু তাহিরের বিরুদ্ধে তাঁকে মাদরাসা থেকে তাড়িয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র করছেন মখলিসুর রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে বিশ^নাথ থানা পুলিশ ব্যতীত অন্য যে কোন গোয়েন্ধা সংস্থার মাধ্যমে জামাত শিবিরের রাষ্ট্র বিরুধী ও জেহাদী কার্যক্রমের তদন্ত দাবি করা হয়। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলা হয়, দেশে বিদেশে মখলিসুর রহমান, নুরুর রহমান, সিদ্দিকুর রহমান, আমিনুর রহমান ও ফারুক আহমদ শিবিরের জঙ্গি কার্যক্রমের সাথে জড়িত বলে সবাই জানে। সাংবাদিক সম্মেলনে এলাকার গন্যমাণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা উস্তার আলী, দীপবন্দ গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল মতিন, রজব আলী, রুহেল আহমদ, তেলিকোনা গ্রামের আবুল হোসেন, ভাটপাড়া গ্রামের মাওলানা নিজাম উদ্দিন, মোহাম্মদপুর গ্রামের সুলতান আলী, গভনিং বডির সদস্য আরজু মিয়া, ক্বারি ওলীউর রহমান তালুকদার, তেলিকোনা গ্রামের তারেক আহমদ, আফতাব মিয়া, গনাইঘর গ্রামের ফারুক আহমদ প্রমুখ।