ঢাকা ১০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪, ৭ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

আজ বাংলাদেশের মহান ৪৯তম বিজয় দিবস,যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।

ডেস্ক রিপোর্টঃ ১৬ ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের এই দিনে লাল-সবুজের দেশ বাংলাদেশ পাক-হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে বিজয়ের দিন। ত্রিশ লক্ষ তাজা প্রানের বুকের রক্তে আর অসংখ্য মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত এ দিনটি হচ্ছে বাঙালি জাতির হাজার বছরের শৌর্যবীর্য এবং বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় দিন। বীরের জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার দিন। প্রথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ভূখ-ের নাম জানান দেয়ার দিন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে নয় মাস স্বশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের এই দিন বিকেলে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) হানাদার পাকিস্তানী বাহিনী যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের।
বুধবার কৃতজ্ঞ জাতি সশ্রদ্ধ বেদনায় স্মরণ করবে দেশের পরাধীনতার গ্লানি মোচনে প্রাণ উৎসর্গ করা বীর সন্তানদের। ঢাকার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের উদ্দেশে নিবেদন করবেন পুষ্পাঞ্জলি। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের সব প্রান্তের মানুষ অংশ নেবে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে। বঙ্গবন্ধুর বজ্র নিনাদ ভাষণ আর মুক্তিযুদ্ধের সময়ের জাগরণী গানে আকাশ-বাতাস হবে মুখরিত। যে অস্ত্র দিয়ে বর্বর পাকবাহিনী দীর্ঘ নয় মাসে ত্রিশ লাখ বাঙালিকে হত্যা করেছে, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম কেড়ে নিয়েছে, এ দিনেই সেই অস্ত্র পায়ের কাছে নামিয়ে রেখে এক রাশ হতাশা এবং অপমানের গ্লানি নিয়ে লড়াকু বাঙালির কাছে পরাজয় মেনে নেয় তারা।
সেই থেকে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস পালিত হয়ে আসছে। এবারের বিজয় দিবস নিয়ে এসেছে ভিন্ন এক প্রেক্ষাপট। এবছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী এবং আগামী বছর ২০২১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করবে বাংলাদেশ। মহান বিজয় দিবসে ঊপলক্ষে পৃথক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস-২০২০ উদ্যাপনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের কারণে এ বছর বিজয় দিবস কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে না। এদিন ঢাকায় প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হবে। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর সরকারের মন্ত্রী এমপি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক দল সহ দেশের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে পালিত হবে এই দিনটি।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

আজ বাংলাদেশের মহান ৪৯তম বিজয় দিবস,যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে।

আপডেট সময় ০৫:৪২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২০

ডেস্ক রিপোর্টঃ ১৬ ই ডিসেম্বর ১৯৭১ সালের এই দিনে লাল-সবুজের দেশ বাংলাদেশ পাক-হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে বিজয়ের দিন। ত্রিশ লক্ষ তাজা প্রানের বুকের রক্তে আর অসংখ্য মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত এ দিনটি হচ্ছে বাঙালি জাতির হাজার বছরের শৌর্যবীর্য এবং বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় দিন। বীরের জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার দিন। প্রথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি স্বাধীন ভূখ-ের নাম জানান দেয়ার দিন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে নয় মাস স্বশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের এই দিন বিকেলে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) হানাদার পাকিস্তানী বাহিনী যৌথবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে। বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের।
বুধবার কৃতজ্ঞ জাতি সশ্রদ্ধ বেদনায় স্মরণ করবে দেশের পরাধীনতার গ্লানি মোচনে প্রাণ উৎসর্গ করা বীর সন্তানদের। ঢাকার সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের উদ্দেশে নিবেদন করবেন পুষ্পাঞ্জলি। রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের সব প্রান্তের মানুষ অংশ নেবে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে। বঙ্গবন্ধুর বজ্র নিনাদ ভাষণ আর মুক্তিযুদ্ধের সময়ের জাগরণী গানে আকাশ-বাতাস হবে মুখরিত। যে অস্ত্র দিয়ে বর্বর পাকবাহিনী দীর্ঘ নয় মাসে ত্রিশ লাখ বাঙালিকে হত্যা করেছে, দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রম কেড়ে নিয়েছে, এ দিনেই সেই অস্ত্র পায়ের কাছে নামিয়ে রেখে এক রাশ হতাশা এবং অপমানের গ্লানি নিয়ে লড়াকু বাঙালির কাছে পরাজয় মেনে নেয় তারা।
সেই থেকে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস পালিত হয়ে আসছে। এবারের বিজয় দিবস নিয়ে এসেছে ভিন্ন এক প্রেক্ষাপট। এবছর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকী এবং আগামী বছর ২০২১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করবে বাংলাদেশ। মহান বিজয় দিবসে ঊপলক্ষে পৃথক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস-২০২০ উদ্যাপনের লক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের কারণে এ বছর বিজয় দিবস কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হবে না। এদিন ঢাকায় প্রত্যুষে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হবে। সূর্যোদয়ের সাথে সাথে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। এরপর সরকারের মন্ত্রী এমপি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা কর্মচারীরা বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক দল সহ দেশের বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে পালিত হবে এই দিনটি।