ঢাকা ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মে ২০২৪, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাউলধনী হাওরের কৃষি বাঁচাতে ইজারা বাতিল ও সীমানা নির্ধারনের দাবী।

বিশ্বনাথ সংবাদদাতাঃ মাছ শিকারের জন্য পানি শুকিয়ে ফেলার কারণে হুমকিতে থাকা সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার সর্ববৃহৎ হাওর ‘চাউলধনী’র কৃষিকে বাঁচাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন ভূমির সীমানা নির্ধারণ এবং হাওরের ইজারা বাতিল করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন হাওর পাড়ের কৃষকরা। শনিবার রাতে উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের চাউলধনী স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত এলাকাবাসীর যৌথ সভা থেকে এদাবী করেন এলাকাবাসী।
‘চাউলধনী হাওরের কৃষি ও কৃষকদেরকে বাঁচানোর লক্ষ্যে এলাকাবাসীর যৌথ সভায় বক্তারা বলেন, ‘জাল যার জলা তার এবং জলাশয় না শুকিয়ে মাছ ধরার’ বিধি থাকলেও চাউলধনী হাওরের ক্ষেত্রে চলছে পুরো উল্টো নিয়ম। বছরের পর বছর ধরে হাওর শুকিয়ে চলছে মাছ শিকার। আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে কৃষি কাজের সেচ ব্যবস্থার জন্য ব্যক্তি মালিকাধীন জমিতে থাকা পুকুর জোরপূর্বক মাছ শিকার করে নিয়ে যাচ্ছে ইজারাদার। মৎস্যজীবিদের সমিতির নাম ব্যবহার করে হাওর ইজারা নিলেও তা নিয়ন্ত্রন করছেন নব্য মৎস্যজীবি সাইফুল বাহিনী। আর সাইফুল বাহিনী অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ার ফলে তারা ইজারা পাওয়ার নির্দিস্ট এরিয়া চেড়ে তারা পুরো হাওর এলাকায় নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে ক্ষতিগ্রস্থ করছে। এমনকি বাড়ির পাশের হাওরে এলাকাবাসীর হাঁস নামলে ইজারাদাররা সেই হাঁস ধরে নিয়ে দেখিলে মালিকদেরকে দেখিয়ে দেখিয়ে বক্ষন করেন।
বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন দৌলতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আরিফ উল্লাহ সিতাব, দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আবদুল মজিদ, ইরন মিয়া, আনোয়ার হোসেন ধন মিয়া, সাবেক মেম্বার আজম আলী, দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার শামছুদ্দিন, প্রবাসী শফিকুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ শহিদুল ইসলাম, মৌলভীরগাঁও গ্রামের আবুল কালাম, পূর্বপাড়া নোয়াগাঁও হাফিজ আরব খান, পাড়ুয়া গ্রামের বাবুল মিয়া, হাসনাজি গ্রামের আশ্রব আলী, জাহিদুল ইসলাম, দৌলতপুর গ্রামের রুহেল মিয়া কালু, দশঘর নোয়াগাঁও গ্রামের সুমন মিয়া, চৈতননগর গ্রামের নজির উদ্দিন, আহমদ আলী।
এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত যৌথ সভায় এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস

চাউলধনী হাওরের কৃষি বাঁচাতে ইজারা বাতিল ও সীমানা নির্ধারনের দাবী।

আপডেট সময় ০৪:২২:৪২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২০

বিশ্বনাথ সংবাদদাতাঃ মাছ শিকারের জন্য পানি শুকিয়ে ফেলার কারণে হুমকিতে থাকা সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার সর্ববৃহৎ হাওর ‘চাউলধনী’র কৃষিকে বাঁচাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারি ও ব্যক্তি মালিকানাধীন ভূমির সীমানা নির্ধারণ এবং হাওরের ইজারা বাতিল করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন হাওর পাড়ের কৃষকরা। শনিবার রাতে উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের চাউলধনী স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত এলাকাবাসীর যৌথ সভা থেকে এদাবী করেন এলাকাবাসী।
‘চাউলধনী হাওরের কৃষি ও কৃষকদেরকে বাঁচানোর লক্ষ্যে এলাকাবাসীর যৌথ সভায় বক্তারা বলেন, ‘জাল যার জলা তার এবং জলাশয় না শুকিয়ে মাছ ধরার’ বিধি থাকলেও চাউলধনী হাওরের ক্ষেত্রে চলছে পুরো উল্টো নিয়ম। বছরের পর বছর ধরে হাওর শুকিয়ে চলছে মাছ শিকার। আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন করে কৃষি কাজের সেচ ব্যবস্থার জন্য ব্যক্তি মালিকাধীন জমিতে থাকা পুকুর জোরপূর্বক মাছ শিকার করে নিয়ে যাচ্ছে ইজারাদার। মৎস্যজীবিদের সমিতির নাম ব্যবহার করে হাওর ইজারা নিলেও তা নিয়ন্ত্রন করছেন নব্য মৎস্যজীবি সাইফুল বাহিনী। আর সাইফুল বাহিনী অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ার ফলে তারা ইজারা পাওয়ার নির্দিস্ট এরিয়া চেড়ে তারা পুরো হাওর এলাকায় নিজেদের প্রভাব বিস্তার করে সর্বস্তরের সাধারণ মানুষকে ক্ষতিগ্রস্থ করছে। এমনকি বাড়ির পাশের হাওরে এলাকাবাসীর হাঁস নামলে ইজারাদাররা সেই হাঁস ধরে নিয়ে দেখিলে মালিকদেরকে দেখিয়ে দেখিয়ে বক্ষন করেন।
বিশ্বনাথ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন দৌলতপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজী আরিফ উল্লাহ সিতাব, দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আবদুল মজিদ, ইরন মিয়া, আনোয়ার হোসেন ধন মিয়া, সাবেক মেম্বার আজম আলী, দশঘর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার শামছুদ্দিন, প্রবাসী শফিকুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা শেখ শহিদুল ইসলাম, মৌলভীরগাঁও গ্রামের আবুল কালাম, পূর্বপাড়া নোয়াগাঁও হাফিজ আরব খান, পাড়ুয়া গ্রামের বাবুল মিয়া, হাসনাজি গ্রামের আশ্রব আলী, জাহিদুল ইসলাম, দৌলতপুর গ্রামের রুহেল মিয়া কালু, দশঘর নোয়াগাঁও গ্রামের সুমন মিয়া, চৈতননগর গ্রামের নজির উদ্দিন, আহমদ আলী।
এলাকাবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত যৌথ সভায় এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।