ঢাকা ০৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

প্রার্থীজটে আ’লীগ, বিএনপি নিশ্চুপ! পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী ও ভোটার কারো মধ্যেই সাড়া নেই লক্ষ্মীপুরে!

লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতাঃ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হওয়ায় লবিং ও তদবীর করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। প্রার্থীরা যে যার মতো পেতে দলীয় মনোনয়ন চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে তা একেবারেই ঠান্ডা, ধীর গতিতে। ভোটার, দলের নেতাকর্মী ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আর্কষণে চালাচ্ছেন নানা তদবির ও কৌশল। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রার্থীদের আগাম প্রচার-প্রচারণা আছে। তবে যাদের জন্য এই নির্বাচনের আয়োজন সেই ভোটাররা অনেকটাই নিশ্চুপ।
করোনাকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের তেমন আগ্রহ দেখা না গেলেও সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচারে নেমে পড়েছেন। এরই মধ্যে মেয়র পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি বিএনপি। তবে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।
এ ছাড়া কাউন্সিলরের ১৫টি পদে দুই শতাধিক এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের ৫টি পদে আরও অর্ধশত নারী গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত না আসায় আওয়ামী লীগ স্থানীয়ভাবে কাউকেই আগাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করতে পারছে না। এ কারণে দলটির নেতাকর্মীরা মেয়র পদে এককভাবে প্রচার প্রচারনা নেমে পড়েন । অবশ্য দলীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় না থেকে আওয়ামী লীগের বর্তমান পৌর মেয়র প্রবীণ রাজনীতিবীদ সাবেক জেলার আওমীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের, জেলার আওমীলীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মতলব,​ সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া, জেলা পরিষদের সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন লীকা,​ জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বেলাল ও সাবেক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জাম পাটওয়ারী, এখন থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার প্রচারণা চালালেও তারিখ ঘোষণার আগ থেকে মাঠে সক্রিয় সম্ভাব্য প্রার্থীরা। প্রার্থী হিসেবে সভা-সমাবেশ তেমন একটা দেখা যাচ্ছে না কোন প্রার্থীর মধ্যে। দলীয় প্রার্থীর পাশাপাশি রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও। তবে দলীয় প্রার্থীর তালিকায় এগিয়ে রয়েছে আওয়ামী লীগ। তবে ভোট নিয়ে উত্তেজনা নেই এলাকাবাসীর মধ্যে।
স্থানীয়রা জানান, ‘করোনার কারণে ব্যবসা বানিজ্য খুব খারাপ যাচ্ছে, সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এখন ভোট নিয়ে ভাবার সময় নেই।’ ‘শীত না আসতেই করোনার সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। যখন ভোট হবে, তখন তো ভরা শীত। তখন তো পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তাই এবার ভোটকেন্দ্র না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এড. হাসিবুর রহমান জানান, জেলা বিএনপির কমিটি না থাকায় নির্বাচনে বিষয়ে এখনো কোন কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা হাইকমান্ডের নির্দশনার অপেক্ষায় আছি।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন জানান, পৌর নির্বাচনে কেন্দ্র থেকে মেয়র পদে প্রার্থীর নাম নির্দেশনা আসেনি। কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান তিনি।
ক্রমান্বয়ে ভোটের দিন তারিখ এগিয়ে এলেও প্রার্থীরা ভোটারদের মাঝে তেমন একটা সাড়া ফেলতে পারেননি। প্রচার-প্রচারণায় নেই তেমন, তবে সবার ভেতরে রয়েছে করোনাভাইরাস আতঙ্ক। সবমিলিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌরসভা নির্বাচন কেমন হবে তা দেখার আগ্রহ রয়েছে সবার।
ট্যাগস

প্রার্থীজটে আ’লীগ, বিএনপি নিশ্চুপ! পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী ও ভোটার কারো মধ্যেই সাড়া নেই লক্ষ্মীপুরে!

আপডেট সময় ০৪:৪৫:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২০
লক্ষ্মীপুর সংবাদদাতাঃ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হওয়ায় লবিং ও তদবীর করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। প্রার্থীরা যে যার মতো পেতে দলীয় মনোনয়ন চেষ্টা চালাচ্ছেন। তবে তা একেবারেই ঠান্ডা, ধীর গতিতে। ভোটার, দলের নেতাকর্মী ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আর্কষণে চালাচ্ছেন নানা তদবির ও কৌশল। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রার্থীদের আগাম প্রচার-প্রচারণা আছে। তবে যাদের জন্য এই নির্বাচনের আয়োজন সেই ভোটাররা অনেকটাই নিশ্চুপ।
করোনাকালে লক্ষ্মীপুর পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের তেমন আগ্রহ দেখা না গেলেও সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচারে নেমে পড়েছেন। এরই মধ্যে মেয়র পদে প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি বিএনপি। তবে কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ।
এ ছাড়া কাউন্সিলরের ১৫টি পদে দুই শতাধিক এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের ৫টি পদে আরও অর্ধশত নারী গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত না আসায় আওয়ামী লীগ স্থানীয়ভাবে কাউকেই আগাম প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করতে পারছে না। এ কারণে দলটির নেতাকর্মীরা মেয়র পদে এককভাবে প্রচার প্রচারনা নেমে পড়েন । অবশ্য দলীয় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় না থেকে আওয়ামী লীগের বর্তমান পৌর মেয়র প্রবীণ রাজনীতিবীদ সাবেক জেলার আওমীলীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের, জেলার আওমীলীগের কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মতলব,​ সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া, জেলা পরিষদের সদস্য ফরিদা ইয়াসমিন লীকা,​ জেলা সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি বেলায়েত হোসেন বেলাল ও সাবেক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জাম পাটওয়ারী, এখন থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার প্রচারণা চালালেও তারিখ ঘোষণার আগ থেকে মাঠে সক্রিয় সম্ভাব্য প্রার্থীরা। প্রার্থী হিসেবে সভা-সমাবেশ তেমন একটা দেখা যাচ্ছে না কোন প্রার্থীর মধ্যে। দলীয় প্রার্থীর পাশাপাশি রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও। তবে দলীয় প্রার্থীর তালিকায় এগিয়ে রয়েছে আওয়ামী লীগ। তবে ভোট নিয়ে উত্তেজনা নেই এলাকাবাসীর মধ্যে।
স্থানীয়রা জানান, ‘করোনার কারণে ব্যবসা বানিজ্য খুব খারাপ যাচ্ছে, সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এখন ভোট নিয়ে ভাবার সময় নেই।’ ‘শীত না আসতেই করোনার সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। যখন ভোট হবে, তখন তো ভরা শীত। তখন তো পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। তাই এবার ভোটকেন্দ্র না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এড. হাসিবুর রহমান জানান, জেলা বিএনপির কমিটি না থাকায় নির্বাচনে বিষয়ে এখনো কোন কিছু বলা সম্ভব হচ্ছে না। আমরা হাইকমান্ডের নির্দশনার অপেক্ষায় আছি।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন জানান, পৌর নির্বাচনে কেন্দ্র থেকে মেয়র পদে প্রার্থীর নাম নির্দেশনা আসেনি। কেন্দ্র থেকেই প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে বলে জানান তিনি।
ক্রমান্বয়ে ভোটের দিন তারিখ এগিয়ে এলেও প্রার্থীরা ভোটারদের মাঝে তেমন একটা সাড়া ফেলতে পারেননি। প্রচার-প্রচারণায় নেই তেমন, তবে সবার ভেতরে রয়েছে করোনাভাইরাস আতঙ্ক। সবমিলিয়ে লক্ষ্মীপুর পৌরসভা নির্বাচন কেমন হবে তা দেখার আগ্রহ রয়েছে সবার।