ঢাকা ০৭:১১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ মে ২০২৪, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযোদ্ধার উপর হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবীতে স্মারকলিপি প্রদান।

বিশ্বনাথ প্রতিনিধিঃ সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার রনজিৎ চন্দ্র ধরের উপর হামলাকারী পলাতক অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও পরিবারের নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক বরাবরে বুধবার স্বারকলিপি দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিভিন্নভাবে মুক্তিযোদ্ধারা হামলার শিকার হচ্ছেন। গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় বসত বাড়িতে যাওয়ার সময় লামাকাজী ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার কাঞ্চন চক্রবর্তী তার সহযোগীদের নিয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার রনজিৎ চন্দ্র ধর’র উপর হামলা করে। হামলায় রনজিৎ চন্দ্র ধর গুরুত্ব আহত হন। চোখ ও মাথায় আঘাতের কারণে জ্ঞান হারিয়ে যায়। হামলাকারীরা তাকে মৃত মনে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে মুক্তিযোদ্ধার স্বজন ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধা রনজিৎ চন্দ্র ধরকে চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। হামলার ঘটনায় থানা পুলিশকে অবগত করলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কাঞ্চন চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কাঞ্চন চক্রবর্তীর সহযোগী রেনু দাশ ও রসিক দাশকে গ্রেফতার করেনি থানা পুলিশ। এনিয়ে রনজিৎ চন্দ্র ধরের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন। দ্রুত মামলার অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্থি প্রদানের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোরদাবি জানান নেতৃবৃন্দ।

ট্যাগস

মুক্তিযোদ্ধার উপর হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবীতে স্মারকলিপি প্রদান।

আপডেট সময় ১১:২৪:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২০

বিশ্বনাথ প্রতিনিধিঃ সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার রনজিৎ চন্দ্র ধরের উপর হামলাকারী পলাতক অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও পরিবারের নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক বরাবরে বুধবার স্বারকলিপি দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ ও মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দ।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিভিন্নভাবে মুক্তিযোদ্ধারা হামলার শিকার হচ্ছেন। গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় বসত বাড়িতে যাওয়ার সময় লামাকাজী ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের মেম্বার কাঞ্চন চক্রবর্তী তার সহযোগীদের নিয়ে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার রনজিৎ চন্দ্র ধর’র উপর হামলা করে। হামলায় রনজিৎ চন্দ্র ধর গুরুত্ব আহত হন। চোখ ও মাথায় আঘাতের কারণে জ্ঞান হারিয়ে যায়। হামলাকারীরা তাকে মৃত মনে করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে মুক্তিযোদ্ধার স্বজন ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় মুক্তিযোদ্ধা রনজিৎ চন্দ্র ধরকে চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। হামলার ঘটনায় থানা পুলিশকে অবগত করলে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে কাঞ্চন চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করে। কিন্তু আজ পর্যন্ত কাঞ্চন চক্রবর্তীর সহযোগী রেনু দাশ ও রসিক দাশকে গ্রেফতার করেনি থানা পুলিশ। এনিয়ে রনজিৎ চন্দ্র ধরের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভোগছেন। দ্রুত মামলার অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্থি প্রদানের জন্য প্রশাসনের প্রতি জোরদাবি জানান নেতৃবৃন্দ।