ঢাকা ০১:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪, ২ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারনী জটিলতায় সাংসদ আঃ মজিদ খানের সংবাদ সম্মেলন।

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ)
আসনের সংসদ সদস্য এবং বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের প্রস্তাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডঃ আব্দুল মজিদ খানের উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন বানিয়াচং উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী, ভাইস-চেয়ারম্যান নুরুল আমিন মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান হাসিনা বেগমসহ অনেকেই
গতকাল সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় সংসদ সদস্যের হবিগঞ্জস্থ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদে হবিগঞ্জ কৃষি বিদ্যালয় আইন পাশ হওয়ায় এবং কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারন নিয়ে জটিলতা দেখা দেওয়ায় তিনি এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টানের আয়োজন করেন।
২০১৪সালের ২৯নভেম্বর হবিগঞ্জ জেলার একটি জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হবিগঞ্জ জেলাবাসীর বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষিতে ৫টি দাবী আদায়ের জন্য প্রতিশ্রæতি দিয়েছিলেন।
এরমধ্যে হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ স্থাপন,শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা স্থাপন,বাল্লা স্থল বন্দর স্থাপন ও হবিগঞ্জ-সুনামগঞ্জ(ভায়া বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ-শাল্লা-দিরাই)আঞ্চলিক মহসড়ক একনেক সভায় পাশ করা হয়েছে।
সম্প্রতি হবিগঞ্জ কৃষি বিশ^ বিদ্যালয় আইনও সংসদে পাশ করা হয়েছে।
কিন্তু জটিলতা দেখা দিয়েছে স্থান নির্ধারন নিয়ে।
স্থানীয় সংয়সদ সদস্য এডঃ আব্দুল মজিদ খান ও প্রয়াত সংসদ সদস্য বাবু সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বানিয়াচং উপজেলার পুকড়া ইউনিয়নে অবস্থিত নাগুড়া ধান গবেষনা ইনষ্টিটিউটের এরিয়ার নিজস্ব জমিও খাস জমিকে কাজে লাগিয়ে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার প্রস্তাব রেখেছিলেন।
কিন্তু বিদ্যমান আইনে হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কথাটি সংযুক্ত করে আইন পাশ করার কারনে বানিয়াচংয়ের ধান গবেষনা ইনষ্টিটিউটের সবুজ চত্বর ও খাস জমি কাজে লাগানোর সুযোগ থাকছেনা।
ধান গবেষনা ইনষ্টিটিউটের এরিয়ায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন সহজতর হত এবং কম সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করা যেত গবেষনাগারের অবকাঠামোগত সুবিধা কাজে লাগিয়ে।
বিকল্প স্থানে হলে ভূমি অধিগ্রহন ও প্রায় ২ থেকে ৩ শত একর ভূমি সহজলভ্য হবেনা বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
বিদ্যমান আইনটি সংশোধন কিংবা পরিমার্জন করতে হলে এখন একমাত্র প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বিশেষ সুবিবেচনা প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলার কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গনমাধ্যমকর্মীগন।

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ ইং।।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

হবিগঞ্জে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারনী জটিলতায় সাংসদ আঃ মজিদ খানের সংবাদ সম্মেলন।

আপডেট সময় ০৩:৪৩:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০

হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ)
আসনের সংসদ সদস্য এবং বেসরকারি সদস্যদের বিল ও বেসরকারি সদস্যদের প্রস্তাব সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এডঃ আব্দুল মজিদ খানের উদ্যোগে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন বানিয়াচং উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী, ভাইস-চেয়ারম্যান নুরুল আমিন মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান হাসিনা বেগমসহ অনেকেই
গতকাল সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টায় সংসদ সদস্যের হবিগঞ্জস্থ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টিত হয়।
সম্প্রতি জাতীয় সংসদে হবিগঞ্জ কৃষি বিদ্যালয় আইন পাশ হওয়ায় এবং কৃষি বিশ^বিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারন নিয়ে জটিলতা দেখা দেওয়ায় তিনি এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্টানের আয়োজন করেন।
২০১৪সালের ২৯নভেম্বর হবিগঞ্জ জেলার একটি জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হবিগঞ্জ জেলাবাসীর বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষিতে ৫টি দাবী আদায়ের জন্য প্রতিশ্রæতি দিয়েছিলেন।
এরমধ্যে হবিগঞ্জ শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ স্থাপন,শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা স্থাপন,বাল্লা স্থল বন্দর স্থাপন ও হবিগঞ্জ-সুনামগঞ্জ(ভায়া বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ-শাল্লা-দিরাই)আঞ্চলিক মহসড়ক একনেক সভায় পাশ করা হয়েছে।
সম্প্রতি হবিগঞ্জ কৃষি বিশ^ বিদ্যালয় আইনও সংসদে পাশ করা হয়েছে।
কিন্তু জটিলতা দেখা দিয়েছে স্থান নির্ধারন নিয়ে।
স্থানীয় সংয়সদ সদস্য এডঃ আব্দুল মজিদ খান ও প্রয়াত সংসদ সদস্য বাবু সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বানিয়াচং উপজেলার পুকড়া ইউনিয়নে অবস্থিত নাগুড়া ধান গবেষনা ইনষ্টিটিউটের এরিয়ার নিজস্ব জমিও খাস জমিকে কাজে লাগিয়ে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার প্রস্তাব রেখেছিলেন।
কিন্তু বিদ্যমান আইনে হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কথাটি সংযুক্ত করে আইন পাশ করার কারনে বানিয়াচংয়ের ধান গবেষনা ইনষ্টিটিউটের সবুজ চত্বর ও খাস জমি কাজে লাগানোর সুযোগ থাকছেনা।
ধান গবেষনা ইনষ্টিটিউটের এরিয়ায় কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন সহজতর হত এবং কম সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করা যেত গবেষনাগারের অবকাঠামোগত সুবিধা কাজে লাগিয়ে।
বিকল্প স্থানে হলে ভূমি অধিগ্রহন ও প্রায় ২ থেকে ৩ শত একর ভূমি সহজলভ্য হবেনা বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
বিদ্যমান আইনটি সংশোধন কিংবা পরিমার্জন করতে হলে এখন একমাত্র প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বিশেষ সুবিবেচনা প্রয়োজন।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলার কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার গনমাধ্যমকর্মীগন।

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ ইং।।