ঢাকা ০৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

তিন হাজার পিস ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্নস্থানে ইয়াবা কারবার করে আসছে বলে গোয়েন্দা বিভাগ জানায়।
গোয়েন্দা বিভাগ লক্ষীপুরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম ফজলুল হকের নেতৃত্বে এসআই মোঃ এহ্তেশামুল হক, এএসআই বাকের হোসেন, এএসআই মো: সুলতান মাহবুব গোপন সংবাদের সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার রাতে সদর দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের গঙ্গাপুর গ্রামের জমার্দার বাড়ির সামনে থেকে তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ মোঃ ইসমাইল হোসেন ও দুলাল হোসেন নামের দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করে।
মোঃ ইসমাইল হোসেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ৩ নং দালাল বাজার ইউনিয়নের মহাদেবপুর গ্রামের কাজিমুদ্দিন ব্যাপারী বাড়ির মৃত রাহাতুল্লাহর ছেলে ও দুলাল হোসেন একই এলাকার নুর মিয়া বেপারী বাড়ির তাজুল ইসলামের ছেলে।
গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ‘ইসমাইল ও দুলাল চিহ্নিত মাদক কারবারি। তারা দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে জেলার রামগঞ্জ, রায়পুর, বাসাবাড়ি, হায়দারগঞ্জ, হাজিমারা, খাসেরহাট, মোল্লারহাট, রাখালিয়া, মাতাব্বরহাট, দালাল বাজার, খায়ের হাট, কাজির দিঘীর পাড়, চৌধুরী বাজার, পানপাড়া, কালিবাজার, পালেরহাট, মজুচৌধুরী হাট সহ বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করে আসছিল।’
ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে ইসমাইল জানিয়েছে “-ইসমাইলের ভগ্নিপতি একাধিক মামলার আসামী মোঃ জহির হোসেন ও তার বোন মরিয়ম বেগম কুট্টি​ অপর আরেক ভাই সাহাব উদ্দিন মাদক বিক্রি করে আসছে।” গোপন সূত্রে প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ ইসমাইল ও দুলালকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা বিভাগ ডিবি।
জিজ্ঞাসাবাদে ইসমাইল আরো জানিয়েছে -সে তার ভগ্নিপতি জহির হোসেন, বোন মরিয়ম বেগম কুট্টি, অপর আরেক ভাই শাহাবুদ্দিনসহ দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে জেলার বিভিন্ন স্থানে গোপনে ইয়াবা বিক্রি করে আসছে। বোন মরিয়ম বেগম কুট্টি ও ভগ্নিপতি জহির হোসেন কয়েকবার ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয়ে জেল খাটলেও ইসমাইল এই প্রথম ধরা খেয়েছে বলে ডিবিকে জানায়। তাদের একাজে স্থানীয় মেম্বার সহযোগিতা করছে ও মাসিক চাঁদা নিচ্ছে বলেও গোয়েন্দা বিভাগকে জানিয়েছে মাদক ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন।
এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম ফজলুল হক বলেন-” একটা মাদক সিন্ডিকেট জেলাকে নরকে পরিণত করছে, যুব সমাজকে বিপথগামী করছে, ধ্বংস করে দিচ্ছে মরণনেশা ইয়াবার মাধ্যমে। আমরা গোপন সংবাদের মাধ্যমে ইসমাইল ও দুলাল নামের দুই মাদক ব্যবসায়ীকে তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে চালান দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
ট্যাগস

তিন হাজার পিস ইয়াবা সহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার।

আপডেট সময় ০৬:০৮:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২০
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই ইয়াবা ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে লক্ষ্মীপুর জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্নস্থানে ইয়াবা কারবার করে আসছে বলে গোয়েন্দা বিভাগ জানায়।
গোয়েন্দা বিভাগ লক্ষীপুরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা একেএম ফজলুল হকের নেতৃত্বে এসআই মোঃ এহ্তেশামুল হক, এএসআই বাকের হোসেন, এএসআই মো: সুলতান মাহবুব গোপন সংবাদের সূত্র ধরে বৃহস্পতিবার রাতে সদর দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের গঙ্গাপুর গ্রামের জমার্দার বাড়ির সামনে থেকে তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ মোঃ ইসমাইল হোসেন ও দুলাল হোসেন নামের দুই মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করে।
মোঃ ইসমাইল হোসেন লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ৩ নং দালাল বাজার ইউনিয়নের মহাদেবপুর গ্রামের কাজিমুদ্দিন ব্যাপারী বাড়ির মৃত রাহাতুল্লাহর ছেলে ও দুলাল হোসেন একই এলাকার নুর মিয়া বেপারী বাড়ির তাজুল ইসলামের ছেলে।
গোয়েন্দা বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ‘ইসমাইল ও দুলাল চিহ্নিত মাদক কারবারি। তারা দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে জেলার রামগঞ্জ, রায়পুর, বাসাবাড়ি, হায়দারগঞ্জ, হাজিমারা, খাসেরহাট, মোল্লারহাট, রাখালিয়া, মাতাব্বরহাট, দালাল বাজার, খায়ের হাট, কাজির দিঘীর পাড়, চৌধুরী বাজার, পানপাড়া, কালিবাজার, পালেরহাট, মজুচৌধুরী হাট সহ বিভিন্ন স্থানে মাদক সরবরাহ করে আসছিল।’
ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে ইসমাইল জানিয়েছে “-ইসমাইলের ভগ্নিপতি একাধিক মামলার আসামী মোঃ জহির হোসেন ও তার বোন মরিয়ম বেগম কুট্টি​ অপর আরেক ভাই সাহাব উদ্দিন মাদক বিক্রি করে আসছে।” গোপন সূত্রে প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ ইসমাইল ও দুলালকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা বিভাগ ডিবি।
জিজ্ঞাসাবাদে ইসমাইল আরো জানিয়েছে -সে তার ভগ্নিপতি জহির হোসেন, বোন মরিয়ম বেগম কুট্টি, অপর আরেক ভাই শাহাবুদ্দিনসহ দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে জেলার বিভিন্ন স্থানে গোপনে ইয়াবা বিক্রি করে আসছে। বোন মরিয়ম বেগম কুট্টি ও ভগ্নিপতি জহির হোসেন কয়েকবার ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয়ে জেল খাটলেও ইসমাইল এই প্রথম ধরা খেয়েছে বলে ডিবিকে জানায়। তাদের একাজে স্থানীয় মেম্বার সহযোগিতা করছে ও মাসিক চাঁদা নিচ্ছে বলেও গোয়েন্দা বিভাগকে জানিয়েছে মাদক ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন।
এ বিষয়ে জেলা গোয়েন্দা বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম ফজলুল হক বলেন-” একটা মাদক সিন্ডিকেট জেলাকে নরকে পরিণত করছে, যুব সমাজকে বিপথগামী করছে, ধ্বংস করে দিচ্ছে মরণনেশা ইয়াবার মাধ্যমে। আমরা গোপন সংবাদের মাধ্যমে ইসমাইল ও দুলাল নামের দুই মাদক ব্যবসায়ীকে তিন হাজার পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করতে সক্ষম হই। বাকিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে চালান দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।