ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নর্থ ইংল্যান্ডের স্কানথর্পে বাসার ভিতরে গাঁজা চাষের বৃহৎ একটি কারখানার সন্ধান!

টাইম ডেস্কঃ বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশী অধ্যুষিত
নর্থ ইংল্যান্ডের স্কানথর্প শহরে
গাঁজা চাষের একটি বৃহৎ কারখানার সন্ধান পেয়েছে হাম্বারসাইড পুলিশ। গত শনিবার ০৫.০৯.২০২০ হাম্বারসাইড পুলিশের একজন মুখপাত্র বলেন স্থানীয় পুলিশের একটি টিম স্কানথর্পের বাংলাদেশী কমিউনিটির বসবাসের কেন্দ্রস্থল ওয়েষ্ট স্ট্রিট এর একটি বাসায় প্রায় প্রতিটি রুমেই অত্যন্ত যত্নে ও দক্ষতার সাথে গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল একটি গাঁজার কারখানা। পুলিশে জানিয়েছে ইতিমধ্যে তারা এই কারখানা টিকে নির্মূল করে দিয়েছে এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট রয়েছে এমন বা আরো যেকোনো বিষয়ে কারো কাছে কোনো তথ্য থেকে থাকলে (১০১) নির্দিষ্ট নাম্বারে ফোন দিয়ে তাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য। এনিয়ে স্থানীয় কয়েকজন বাংলাদেশীদের সাথে কথা বলে জানাগেছে এধরনের ঘটনাগুলোর জন্য এখানকার বাংলাদেশিরা অনেকটা চিন্তিত ও বিব্রত কারন হিসেবে তারা উল্লেখ করেছেন এই চক্র বা গ্রুপগুলো অথবা এর সাথে যারা সংশ্লিষ্ট তারা বিশেষ করে তরুণ যুবক বা উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েদের কে টার্গেট করে কাজ করে। তারা এদেরকে প্রথমে বন্ধু সেজে অল্প অল্প সেবনে উৎসাহিত করে এবং পরে এগুলো বিক্রির কাজে ব্যবহার করে তাই আমাদেরকে আমাদের এইসব তরুণ যুবক বা উঠতি বয়সী ছেলেমেয়ে দের বিষয়ে সবসময়ই সতর্ক থাকতে হবে। অনেকেই বলেছেন আমরা এখন বাতাসের মধ্যে এই নেশাদ্রব্যের গন্ধ পাই অনেক সময় নিজেদের ছেলেমেয়েদের সাথে বাহিরে বের হলে তীব্র এই গন্ধ যখন নাকের মধ্যে আসে তখন ছেলেমেয়েরা ও লজ্জাবোধ করে এমনিতেই গাড়ী বাড়ী চুরির উপদ্রবে সবসময়ই আতংক গ্রস্ত থাকতে হয় তার উপর এই ধরনের ঘটনা আমাদের চিন্তিত ও বিব্রত করে আমরা সরকার ও স্থানীয় কাউন্সিলের এই বিষয়ে আরো কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

নর্থ ইংল্যান্ডের স্কানথর্পে বাসার ভিতরে গাঁজা চাষের বৃহৎ একটি কারখানার সন্ধান!

আপডেট সময় ১০:৪৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২০

টাইম ডেস্কঃ বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশী অধ্যুষিত
নর্থ ইংল্যান্ডের স্কানথর্প শহরে
গাঁজা চাষের একটি বৃহৎ কারখানার সন্ধান পেয়েছে হাম্বারসাইড পুলিশ। গত শনিবার ০৫.০৯.২০২০ হাম্বারসাইড পুলিশের একজন মুখপাত্র বলেন স্থানীয় পুলিশের একটি টিম স্কানথর্পের বাংলাদেশী কমিউনিটির বসবাসের কেন্দ্রস্থল ওয়েষ্ট স্ট্রিট এর একটি বাসায় প্রায় প্রতিটি রুমেই অত্যন্ত যত্নে ও দক্ষতার সাথে গড়ে তোলা হয়েছে বিশাল একটি গাঁজার কারখানা। পুলিশে জানিয়েছে ইতিমধ্যে তারা এই কারখানা টিকে নির্মূল করে দিয়েছে এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট রয়েছে এমন বা আরো যেকোনো বিষয়ে কারো কাছে কোনো তথ্য থেকে থাকলে (১০১) নির্দিষ্ট নাম্বারে ফোন দিয়ে তাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য। এনিয়ে স্থানীয় কয়েকজন বাংলাদেশীদের সাথে কথা বলে জানাগেছে এধরনের ঘটনাগুলোর জন্য এখানকার বাংলাদেশিরা অনেকটা চিন্তিত ও বিব্রত কারন হিসেবে তারা উল্লেখ করেছেন এই চক্র বা গ্রুপগুলো অথবা এর সাথে যারা সংশ্লিষ্ট তারা বিশেষ করে তরুণ যুবক বা উঠতি বয়সী ছেলেমেয়েদের কে টার্গেট করে কাজ করে। তারা এদেরকে প্রথমে বন্ধু সেজে অল্প অল্প সেবনে উৎসাহিত করে এবং পরে এগুলো বিক্রির কাজে ব্যবহার করে তাই আমাদেরকে আমাদের এইসব তরুণ যুবক বা উঠতি বয়সী ছেলেমেয়ে দের বিষয়ে সবসময়ই সতর্ক থাকতে হবে। অনেকেই বলেছেন আমরা এখন বাতাসের মধ্যে এই নেশাদ্রব্যের গন্ধ পাই অনেক সময় নিজেদের ছেলেমেয়েদের সাথে বাহিরে বের হলে তীব্র এই গন্ধ যখন নাকের মধ্যে আসে তখন ছেলেমেয়েরা ও লজ্জাবোধ করে এমনিতেই গাড়ী বাড়ী চুরির উপদ্রবে সবসময়ই আতংক গ্রস্ত থাকতে হয় তার উপর এই ধরনের ঘটনা আমাদের চিন্তিত ও বিব্রত করে আমরা সরকার ও স্থানীয় কাউন্সিলের এই বিষয়ে আরো কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।