ঢাকা ১১:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৮ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বিশ্বনাথে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু।

বিশ্বনাথ প্রতিনিধিঃ  বিশ্বনাথে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ফারুক মিয়া (৩৫) নামে এক ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা ইউনিয়নের পশ্চিমভাগ গ্রামের আবদুল আউয়ালের ছেলে। গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় বিশ্বনাথ উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের ধলীপাটলী গ্রামের আপ্তাব আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফারুক মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের কালিগঞ্জবাজারের দবির মেম্বারের কলোনিতে বসবাস করে ভাঙ্গারী ব্যবসা করে আসছিলেন। সোমবার সকালে তিনি ধলিপাটলী গ্রামের আপ্তাব আলীর বাড়ীতে ভাঙ্গারী জিনিসপত্র ক্রয় করতে যান। এ সময় তাকে একটি পরিত্যক্ত ঘরে জমিয়ে রাখা লোহা ও প্লাস্টিকের জিনিসপত্র বের করে আনতে বলেন গৃহকর্তা রুবেল মিয়া। ফারুক ঘরে প্রবেশ করে বের না হওয়ায় তিনি উঁকি মেরে দেখতে পান তিনি মেঝেতে ছটফট করছেন।
রুবেল মিয়া সাংবাদিকদের জানান, ‘ফারুককে অচেতন অবস্থায় আমরা ঘরের বাহিরে আনি। কি হয়েছে বুঝে উঠার আগেই মারা যান তিনি। পরে ঘরের যেখানে ফারুক ছটফট করছিলেন, সেখানে খোঁজ করে দেখি বৈদ্যুতিক লাইন ছিড়ে পড়ে আছে। ওই লাইনেই স্পৃষ্ট হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।’
তবে, ফারুকের চাচাতো ভাই সুহেল মিয়া দাবি করে সাংবাদিকদের বলেন,-‘এই মৃত্যু রহস্যজনক। এটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ডও হতে পারে।’
ঘটনাস্থলে যাওয়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোপেশ দাশ বলেন, ‘লাশের সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্যে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছি। ময়না তদন্ত রিপোর্ট এলে প্রকৃত বিষয়টি বেরিয়ে আসবে।’

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বনাথে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু।

আপডেট সময় ০৬:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২০

বিশ্বনাথ প্রতিনিধিঃ  বিশ্বনাথে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ফারুক মিয়া (৩৫) নামে এক ভাঙ্গারী ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা ইউনিয়নের পশ্চিমভাগ গ্রামের আবদুল আউয়ালের ছেলে। গতকাল বুধবার সকাল ১১টায় বিশ্বনাথ উপজেলার দেওকলস ইউনিয়নের ধলীপাটলী গ্রামের আপ্তাব আলীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ফারুক মিয়া দীর্ঘদিন ধরে ইউনিয়নের কালিগঞ্জবাজারের দবির মেম্বারের কলোনিতে বসবাস করে ভাঙ্গারী ব্যবসা করে আসছিলেন। সোমবার সকালে তিনি ধলিপাটলী গ্রামের আপ্তাব আলীর বাড়ীতে ভাঙ্গারী জিনিসপত্র ক্রয় করতে যান। এ সময় তাকে একটি পরিত্যক্ত ঘরে জমিয়ে রাখা লোহা ও প্লাস্টিকের জিনিসপত্র বের করে আনতে বলেন গৃহকর্তা রুবেল মিয়া। ফারুক ঘরে প্রবেশ করে বের না হওয়ায় তিনি উঁকি মেরে দেখতে পান তিনি মেঝেতে ছটফট করছেন।
রুবেল মিয়া সাংবাদিকদের জানান, ‘ফারুককে অচেতন অবস্থায় আমরা ঘরের বাহিরে আনি। কি হয়েছে বুঝে উঠার আগেই মারা যান তিনি। পরে ঘরের যেখানে ফারুক ছটফট করছিলেন, সেখানে খোঁজ করে দেখি বৈদ্যুতিক লাইন ছিড়ে পড়ে আছে। ওই লাইনেই স্পৃষ্ট হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।’
তবে, ফারুকের চাচাতো ভাই সুহেল মিয়া দাবি করে সাংবাদিকদের বলেন,-‘এই মৃত্যু রহস্যজনক। এটি পরিকল্পিত হত্যাকান্ডও হতে পারে।’
ঘটনাস্থলে যাওয়া থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোপেশ দাশ বলেন, ‘লাশের সুরতহাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্যে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করেছি। ময়না তদন্ত রিপোর্ট এলে প্রকৃত বিষয়টি বেরিয়ে আসবে।’