ঢাকা ০১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

পরাশক্তির দেশ রাশিয়া করোনা’র ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের ঘোষণা দিয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্টঃ বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তির দেশ রাশিয়া বিশ্বের প্রথম করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির সরকার ইতিমধ্যে এই ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনটি তার নিজের মেয়ের শরীরেও পুশ করা হয়েছে। খবরটি জানিয়েছে বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
প্রেসিডেন্ট পুতিন জানিয়েছেন ভ্যাকসিনটি মানবদেহের জন্য কতটুকু নিরাপদ সেটি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে না দিতে গবেষক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, তার দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিশ্বের প্রথম করোনাভাইরাসের টিকার অনুমোদন দিয়েছে। যেটি তার মেয়ের শরীরেও দেয়া হয়েছে। সে ভালো বোধ করছে।
ভ্যাকসিনটি দুই মাসেরও কম মানব পরীক্ষার পর মস্কোর গামালিয়া ইন্সটিটিউট তৈরি করেছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই রাশিয়া এ ভ্যাকসিনের ব্যাপকভিত্তিক উৎপাদনে যাবে।
ভ্যাকসিনটির বিষয়ে প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, এটি বেশ কার্যকরভাবে কাজ করছে এবং ভ্যাকসিনটি একটি স্থিতিশীল প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করছে। সর্ব প্রথম এই ভ্যাকসিনটি
স্বাস্থ্যসেবাকর্মীদের জন্য সেপ্টেম্বর থেকে সরবরাহ করা হবে। আর আগামী বছরের জানুয়ারিতে সবার জন্য এটি উন্মুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

পরাশক্তির দেশ রাশিয়া করোনা’র ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের ঘোষণা দিয়েছে।

আপডেট সময় ০১:৩৮:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২০

ডেস্ক রিপোর্টঃ বিশ্বের অন্যতম পরাশক্তির দেশ রাশিয়া বিশ্বের প্রথম করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন উদ্ভাবনের ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির সরকার ইতিমধ্যে এই ভ্যাকসিনের অনুমোদন দিয়েছে। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট জানিয়েছেন উদ্ভাবিত ভ্যাকসিনটি তার নিজের মেয়ের শরীরেও পুশ করা হয়েছে। খবরটি জানিয়েছে বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
প্রেসিডেন্ট পুতিন জানিয়েছেন ভ্যাকসিনটি মানবদেহের জন্য কতটুকু নিরাপদ সেটি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে না দিতে গবেষক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, তার দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিশ্বের প্রথম করোনাভাইরাসের টিকার অনুমোদন দিয়েছে। যেটি তার মেয়ের শরীরেও দেয়া হয়েছে। সে ভালো বোধ করছে।
ভ্যাকসিনটি দুই মাসেরও কম মানব পরীক্ষার পর মস্কোর গামালিয়া ইন্সটিটিউট তৈরি করেছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই রাশিয়া এ ভ্যাকসিনের ব্যাপকভিত্তিক উৎপাদনে যাবে।
ভ্যাকসিনটির বিষয়ে প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, এটি বেশ কার্যকরভাবে কাজ করছে এবং ভ্যাকসিনটি একটি স্থিতিশীল প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করছে। সর্ব প্রথম এই ভ্যাকসিনটি
স্বাস্থ্যসেবাকর্মীদের জন্য সেপ্টেম্বর থেকে সরবরাহ করা হবে। আর আগামী বছরের জানুয়ারিতে সবার জন্য এটি উন্মুক্ত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।