ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ মে ২০২৪, ৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পদত্যাগ করলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ।

ডেস্ক নিউজঃ করোনা পরিস্থিতি তে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখ্যাত নিয়ে
তীব্র বিতর্কের মুখে পদত্যাগ করলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ। আজ মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে স্বাস্থ্য সচিবের কাছে তিনি এই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানাগেছে।
তিনি এর আগে গত ১৫ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজি হেলথ কেয়ারকে পূর্ববর্তী স্বাস্থ্য সচিবের নির্দেশেই করোনা পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যাপারে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এক চিঠিতে ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পদত্যাগকারী মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ। ঐদিন স্বাস্থ্য বিভাগের সচিব আব্দুল মান্নান বলেন, ‘রিজেন্টের সঙ্গে চুক্তির লিখিত আদেশ এই ব্যাখ্যার সঙ্গে সংযুক্ত আছে কিনা জানতে চাইলে মহাপরিচালক জানান, সেই চুক্তি করা হয়েছিল সাবেক স্বাস্থ্য সচিব আসাদুল ইসলামের মৌখিক নির্দেশে। যিনি বর্তমানে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবী করেন।

উল্লেখ্য মহামারী করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় দেশের স্বাস্থ্যখ্যাত নিয়ে তুমুল বিতর্ক রয়েছে। স্বাস্থ বিভাগ দেশের এই দূর্যোগময় পরিস্থিতিতে কার্যকর ভুমিকা নিতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

ট্যাগস

পদত্যাগ করলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ।

আপডেট সময় ০৯:৫৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২০

ডেস্ক নিউজঃ করোনা পরিস্থিতি তে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখ্যাত নিয়ে
তীব্র বিতর্কের মুখে পদত্যাগ করলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ। আজ মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে স্বাস্থ্য সচিবের কাছে তিনি এই পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানাগেছে।
তিনি এর আগে গত ১৫ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজি হেলথ কেয়ারকে পূর্ববর্তী স্বাস্থ্য সচিবের নির্দেশেই করোনা পরীক্ষা ও চিকিৎসার ব্যাপারে অনুমতি দেওয়া হয়েছিল বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে এক চিঠিতে ব্যাখ্যা দিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পদত্যাগকারী মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ। ঐদিন স্বাস্থ্য বিভাগের সচিব আব্দুল মান্নান বলেন, ‘রিজেন্টের সঙ্গে চুক্তির লিখিত আদেশ এই ব্যাখ্যার সঙ্গে সংযুক্ত আছে কিনা জানতে চাইলে মহাপরিচালক জানান, সেই চুক্তি করা হয়েছিল সাবেক স্বাস্থ্য সচিব আসাদুল ইসলামের মৌখিক নির্দেশে। যিনি বর্তমানে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবী করেন।

উল্লেখ্য মহামারী করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় দেশের স্বাস্থ্যখ্যাত নিয়ে তুমুল বিতর্ক রয়েছে। স্বাস্থ বিভাগ দেশের এই দূর্যোগময় পরিস্থিতিতে কার্যকর ভুমিকা নিতে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।