ঢাকা ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত যুবক ফাহিম সালেহ হত্যায় তার সাবেক ব্যাক্তিগত সহকারী কে আটক করেছে পুলিশ।

ডেস্ক নিউজঃ  পাঠাও এর সহকারী প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত যুবক ফাহিম সালেহ হত্যার সন্দেহভাজন হিসেবে তার এক ব্যক্তিগত সহকারীকে গ্রেপ্তার করেছে নিউ ইয়র্ক পুলিশ। গতকাল শুক্রবার এই তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত ওই তরুণ ফাহিমের একসময়ের ব্যক্তিগত সহকারী ছিলো বলে জানিয়েছে পুলিশ তার নাম টাইরিস ডেভন হাসপিল (২১)। ওই তরুণের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মাত্রার হত্যা ও অন্যান্য অপরাধের অভিযোগ আনা হতে পারে। ব্যবসা জনিত বিরোধ এবং বেশ কয়েক লাখ ডলার চুরির কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারনা করছে পুলিশ।
এই মামলার তদন্তকারীরা জানিয়েছে ফাহিম সালেহকে আগে থেকেই হত্যার লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছিল এবং তাকে টার্গেট করা হয়েছিল।
গত ১৫ জুলাই নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে নিজের অভিজাত অ্যাপার্টমেন্টেই এই হত্যার শিকার হন ফাহিম। হত্যার দিন অ্যাপার্টমেন্টের লিফটে ফাহিমের সঙ্গেই প্রবেশ করেছিল সম্পূর্ণ কালো পোশাক ও মাস্ক পরিহিত ওই হত্যাকারী। লিফট থেকে বের হওয়ার পর ফাহিমের পেছনে পেছনে আসা ওই হত্যাকারী তার হাত উঁচু করে এবং এরপরই ফাহিম মেঝেতে পড়ে যান তারপর তাকে অ্যাপার্টমেন্টের ভেতরে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। মৃতদেহের রক্ত জমাট বাঁধা পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিল হত্যাকারী। এর জন্য ফাহিমের অ্যাপার্টমেন্টে সে সারারাত অবস্থান করেছিল। পরে ইলেকট্রিক করাত দিয়ে মৃতদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করে সে।
পুলিশ এই হত্যাকান্ড নিয়ে অন্য কোনো বড় সন্ত্রাসী গ্রুপ জড়িত কিনা সন্দেহ করছে কারন খুবই পরিকল্পিত এবং সাজানো ভাবে এই হত্যাকান্ড টি হয়েছে।
ফাহিম সালেহ খুব ভালো মনের একজন যুবক ছিলো বলে ধারনা সবার সে তার কোম্পানির এতগুলো অর্থ চুরির পরও পুলিশে রিপোর্ট না করে চোরকে ছোটছোট কিস্তিতে পরিশোধ করার সুযোগ দিয়েছিলেন।

ট্যাগস

বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত যুবক ফাহিম সালেহ হত্যায় তার সাবেক ব্যাক্তিগত সহকারী কে আটক করেছে পুলিশ।

আপডেট সময় ০৪:২৮:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২০

ডেস্ক নিউজঃ  পাঠাও এর সহকারী প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত যুবক ফাহিম সালেহ হত্যার সন্দেহভাজন হিসেবে তার এক ব্যক্তিগত সহকারীকে গ্রেপ্তার করেছে নিউ ইয়র্ক পুলিশ। গতকাল শুক্রবার এই তথ্য জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত ওই তরুণ ফাহিমের একসময়ের ব্যক্তিগত সহকারী ছিলো বলে জানিয়েছে পুলিশ তার নাম টাইরিস ডেভন হাসপিল (২১)। ওই তরুণের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মাত্রার হত্যা ও অন্যান্য অপরাধের অভিযোগ আনা হতে পারে। ব্যবসা জনিত বিরোধ এবং বেশ কয়েক লাখ ডলার চুরির কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারনা করছে পুলিশ।
এই মামলার তদন্তকারীরা জানিয়েছে ফাহিম সালেহকে আগে থেকেই হত্যার লক্ষ্যবস্তু বানানো হয়েছিল এবং তাকে টার্গেট করা হয়েছিল।
গত ১৫ জুলাই নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে নিজের অভিজাত অ্যাপার্টমেন্টেই এই হত্যার শিকার হন ফাহিম। হত্যার দিন অ্যাপার্টমেন্টের লিফটে ফাহিমের সঙ্গেই প্রবেশ করেছিল সম্পূর্ণ কালো পোশাক ও মাস্ক পরিহিত ওই হত্যাকারী। লিফট থেকে বের হওয়ার পর ফাহিমের পেছনে পেছনে আসা ওই হত্যাকারী তার হাত উঁচু করে এবং এরপরই ফাহিম মেঝেতে পড়ে যান তারপর তাকে অ্যাপার্টমেন্টের ভেতরে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। মৃতদেহের রক্ত জমাট বাঁধা পর্যন্ত অপেক্ষা করেছিল হত্যাকারী। এর জন্য ফাহিমের অ্যাপার্টমেন্টে সে সারারাত অবস্থান করেছিল। পরে ইলেকট্রিক করাত দিয়ে মৃতদেহ খণ্ড-বিখণ্ড করে সে।
পুলিশ এই হত্যাকান্ড নিয়ে অন্য কোনো বড় সন্ত্রাসী গ্রুপ জড়িত কিনা সন্দেহ করছে কারন খুবই পরিকল্পিত এবং সাজানো ভাবে এই হত্যাকান্ড টি হয়েছে।
ফাহিম সালেহ খুব ভালো মনের একজন যুবক ছিলো বলে ধারনা সবার সে তার কোম্পানির এতগুলো অর্থ চুরির পরও পুলিশে রিপোর্ট না করে চোরকে ছোটছোট কিস্তিতে পরিশোধ করার সুযোগ দিয়েছিলেন।