ঢাকা ০৩:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ মে ২০২৪, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের জন্মদিনে ফ্রান্স যুবলীগ নেতা মিজানের শুভেচ্ছা।

শুভ জন্মদিন
প্রিয়নেতা শ্রদ্ধেয় -শেখ ফজলে শামস্ পরশ স্যার।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাস্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা আজ আপনার মত একজন বিচক্ষণ যোগ্য নেতার হাতে যুবলীগের দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন। যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ শেখ ফজলুল হক মনির জ্যেষ্ঠ পুত্র। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর বোন শেখ আছিয়া বেগমের বড় ছেলে শেখ মনি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্ব-পরিবারে হত্যাকান্ডে বাবা শেখ মনি ও মা আরজু মণিকে চিরতরে হারান শেখ পরশ। তখন তার বয়স মাত্র ৬, ছোট ভাই তাপস মাত্র ৪ বছরের শিশু।

বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দুর্বিষহ জীবন কাটাতে হয় শেখ পরশ ও তাপসকে। কখনও আত্মীয়দের বাসায় লুকিয়ে থাকতে হয়েছে, কখনোবা পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে জীবন রক্ষার তাগিদে। এভাবে দুই বছর কাটানোর পর ১৯৭৮ সালে শেখ আছিয়া বেগম তাদের নিয়ে ভারতে চলে যান। চাচা শেখ ফজলুল করিম সেলিম, শেখ ফজলুর রহমান মারুফ, ফুপু শেখ হাসিনা, শেখ রেহেনা তারাও তখন বিদেশে শরণার্থী। শেখ পরিবারের উত্তরাধিকারী পরশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে কলরাডো স্টেট ইউনির্ভাসিটি থেকে স্নাতকোত্তর করে দীর্ঘদিন শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন তিনি। তাঁর সহধর্মীনি এডভোকেট নাহিদ সুলতানা যূথী সুপ্রিম কোর্টের প্রতিষ্টিত আইনজীবী। তার ছোট ভাই শেখ ফজলে নূর তাপস ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বর্তমান নব-নির্বাচিত মেয়র।

সারা বাংলার যুব সমাজের আইকন শেখ ফজলে শামস্ পরশ স্যার এর জন্মদিনে ফ্রান্স যুবলীগের পক্ষ থেকে সবার কাছে দোয়া চাই, মহান আল্লাহ পাক যেন উনার নেক হায়াত, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ূ দান করেন।

জয়বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু।

মিজানুর রহমান
ফ্রান্স যুবলীগ।

ট্যাগস

যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশের জন্মদিনে ফ্রান্স যুবলীগ নেতা মিজানের শুভেচ্ছা।

আপডেট সময় ০৪:২৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২০

শুভ জন্মদিন
প্রিয়নেতা শ্রদ্ধেয় -শেখ ফজলে শামস্ পরশ স্যার।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রাস্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা আজ আপনার মত একজন বিচক্ষণ যোগ্য নেতার হাতে যুবলীগের দায়িত্ব তুলে দিয়েছেন। যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ শেখ ফজলুল হক মনির জ্যেষ্ঠ পুত্র। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর বোন শেখ আছিয়া বেগমের বড় ছেলে শেখ মনি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে স্ব-পরিবারে হত্যাকান্ডে বাবা শেখ মনি ও মা আরজু মণিকে চিরতরে হারান শেখ পরশ। তখন তার বয়স মাত্র ৬, ছোট ভাই তাপস মাত্র ৪ বছরের শিশু।

বঙ্গবন্ধু হত্যার পর দুর্বিষহ জীবন কাটাতে হয় শেখ পরশ ও তাপসকে। কখনও আত্মীয়দের বাসায় লুকিয়ে থাকতে হয়েছে, কখনোবা পালিয়ে বেড়াতে হয়েছে জীবন রক্ষার তাগিদে। এভাবে দুই বছর কাটানোর পর ১৯৭৮ সালে শেখ আছিয়া বেগম তাদের নিয়ে ভারতে চলে যান। চাচা শেখ ফজলুল করিম সেলিম, শেখ ফজলুর রহমান মারুফ, ফুপু শেখ হাসিনা, শেখ রেহেনা তারাও তখন বিদেশে শরণার্থী। শেখ পরিবারের উত্তরাধিকারী পরশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজী বিভাগ থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে কলরাডো স্টেট ইউনির্ভাসিটি থেকে স্নাতকোত্তর করে দীর্ঘদিন শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন তিনি। তাঁর সহধর্মীনি এডভোকেট নাহিদ সুলতানা যূথী সুপ্রিম কোর্টের প্রতিষ্টিত আইনজীবী। তার ছোট ভাই শেখ ফজলে নূর তাপস ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বর্তমান নব-নির্বাচিত মেয়র।

সারা বাংলার যুব সমাজের আইকন শেখ ফজলে শামস্ পরশ স্যার এর জন্মদিনে ফ্রান্স যুবলীগের পক্ষ থেকে সবার কাছে দোয়া চাই, মহান আল্লাহ পাক যেন উনার নেক হায়াত, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ূ দান করেন।

জয়বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু।

মিজানুর রহমান
ফ্রান্স যুবলীগ।