ঢাকা ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ এপ্রিল ২০২৪, ২৯ চৈত্র ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

একমাসে২০ কোটি টাকার খাবার বিলে প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ! হতাশ হয়ে বলেন এটা কি করে সম্ভব!

টাইম নিউজ ইউকেবিডি ডেস্কঃ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২০ কোটি টাকার বিল নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন এটি কি করে সম্ভব! এটা কিছুতেই বিশ্বাসযোগ্য নয় আমরা অবশ্যই তদন্ত করবো এবং এতে যদি কোন অনিয়ম হয়ে থাকে তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গতকাল সোমবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সমাপনি আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদেরের বক্তব্যের উত্তরে তিনি বলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ঠিকই বলেছেন শুধুমাত্র এক মাসেই ২০ কোটি টাকার খাবার বিল এটা অস্বাভাবিকই মনে হচ্ছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসা কাজে জড়িত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী এবং স্টাফদের খাওয়া বাবদ এক মাসে ব্যয় ধরা হয়েছে ২০ কোটি টাকা! আর এই ব্যয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে এবং এ নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন এটি আমরা তদন্ত করে দেখবো এখানে কোনো অনিয়ম হলে আমরা অবশ্যই এর দ্রুত ব্যবস্থা নিবো।
প্রধানমন্ত্রী সংসদে তার বক্তব্যে বলেন আমাদের সরকার দূর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স আমরা কখনোই দূর্নীতির সাথে আপোষ করবোনা।
দূর্নীতিবাজ যেই হোক তার বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে কখনো আমরা বদ্ধপরিকর।

ট্যাগস
জনপ্রিয় সংবাদ

একমাসে২০ কোটি টাকার খাবার বিলে প্রধানমন্ত্রীর অসন্তোষ! হতাশ হয়ে বলেন এটা কি করে সম্ভব!

আপডেট সময় ১২:২৭:৫৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২০

টাইম নিউজ ইউকেবিডি ডেস্কঃ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২০ কোটি টাকার বিল নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন এটি কি করে সম্ভব! এটা কিছুতেই বিশ্বাসযোগ্য নয় আমরা অবশ্যই তদন্ত করবো এবং এতে যদি কোন অনিয়ম হয়ে থাকে তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গতকাল সোমবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সমাপনি আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদেরের বক্তব্যের উত্তরে তিনি বলেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ঠিকই বলেছেন শুধুমাত্র এক মাসেই ২০ কোটি টাকার খাবার বিল এটা অস্বাভাবিকই মনে হচ্ছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা রোগীদের চিকিৎসা কাজে জড়িত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী এবং স্টাফদের খাওয়া বাবদ এক মাসে ব্যয় ধরা হয়েছে ২০ কোটি টাকা! আর এই ব্যয় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে এবং এ নিয়ে চলছে আলোচনা সমালোচনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন এটি আমরা তদন্ত করে দেখবো এখানে কোনো অনিয়ম হলে আমরা অবশ্যই এর দ্রুত ব্যবস্থা নিবো।
প্রধানমন্ত্রী সংসদে তার বক্তব্যে বলেন আমাদের সরকার দূর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স আমরা কখনোই দূর্নীতির সাথে আপোষ করবোনা।
দূর্নীতিবাজ যেই হোক তার বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে কখনো আমরা বদ্ধপরিকর।